রবিবার, অক্টোবর ২৫, ২০২৬
প্রচ্ছদআরো খবর......জয় মিথ্যাচার করেছেন : রিজভী

জয় মিথ্যাচার করেছেন : রিজভী

ষ্টাফরিপোর্টার (বিডিসময়২৪ডটকম)

সুচিন্তা ফাউন্ডেশন আয়োজিত ‘রুপকল্প-২০২১’ অনুষ্ঠানে শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীপুত্র সজিব ওয়াজেদ জয় মিথ্যাচার করেছেন বলে দাবি করেছেন বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

রিজভী আহমেদ বলেন, ‘তরুণদের কাছ থেকে আমরা সত্য ভাষণ আশা করি। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী পুত্র যেসব বক্তব্য রেখেছেন তা ডাহা মিথ্যা। তিনি (জয়) নিজের কোনো বক্তব্য না দিয়ে সরকারি কর্মকর্তাদের শেখানো বুলি আউড়িয়েছেন।  শনিবার দলের নয়া পল্টনের কার্যালয়ে দুপুর ২টা ৩০মিনিটে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘জয় অসমাপ্ত বিপ্লব সমাপ্ত করার জন্য আবারো জনগণের সমর্থন চেয়েছেন। কিন্তু আমরা আর কত ইলিয়াস আলী ও চৌধুরী আলমকে হারাবো। প্রতিদিন খুন, গুম, হত্যা চলছে। এটা চালু রাখাই কি বিপ্লব?

‘গত ৫ বছরে আওয়ামী লীগ নির্বাচনী ইশতেহারে দেয়া সব অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করেছে।’ জয়ের এই বক্তব্যের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, দেশের মানুষের উন্নয়নের কোনো ইশতেহার বাস্তবায়ন না হলেও গোপন এজেন্ডা ঠিকই বাস্তবায়ন হয়েছে। ট্রানজিট থেকে শুরু করে সব কিছুতেই আমরা তা দেখলাম। বিরোধীদলকে কিভাবে দমিয়ে দিতে হবে, কিভাবে বিরোধী নেত্রীকে বাড়ি থেকে বের করে দিতে হবে। এসব কাজে তারা সফল হয়েছেন।

অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সাড়ে ৬ শতাংশ হয়েছে জয়ের এই দাবিকে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন উল্লেখ করে তিনি বলেন, জয়ের এই বক্তব্যের সঙ্গে অন্যদের বক্তব্যের মিল নেই। অর্থমন্ত্রী বলেছেন- ৬.৫ এর কাছাকাছি। বিশ্ব ব্যাংক বলেছে সাড়ে ৫ শতাংশ, এনজিওগুলো বলেছে ৬.৭৫ অথচ জয় বলেছেন ৬.৫। রিজভী আহমেদ প্রশ্ন করেন এই তথ্য তিনি কোথায় পেলেন।

এ প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, ২০০৮ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে আওয়ামী লীগ ওয়াদা করেছিল ২০১৩ সালের মধ্যে জিডিপি ৮ শতাংশে উন্নীত করা হবে।

‘বিএনপির সময় দেশ দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন ছিল এখন ৪০ তম’ সজিব ওয়াজেদ জয়ের এই বক্তব্যও ঠিক নেই দাবি করে রিজভী বলেন, টিআইবি বলেছে বাংলাদেশ দুর্নীতিতে আগে যে অবস্থানে ছিল এখনো সেখানেই আছে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর পুত্রের মতো তরুণ রাজনীতিবিদ যদি এ ধরণের মিথ্যা তথ্য দিয়ে জাতিকে বিভ্রান্ত করেন তাহলে আগামীতে দেশ কোন দিকে যাবে তা বুঝতে কারো বাকী নেই।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে বিএনপির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মাসুদ আহমেদ তালুকদার, গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক সানা উল্লাহ মিয়া, সহ দফতর সম্পাদক আবদুল লতিফ জনি, আসাদুল করিম শাহীন, সহ শিল্প বিষয়ক সম্পাদক শাহাজাদা মিয়া, নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ, অ্যাডভোকেট রফিক সিকদার, শাহানা আকতার সানু, মহানগর মুক্তিযোদ্ধা দলের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট শহীদুল ইসলাম মিলন প্রমুখ।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ