দুই উইকেট পতনের পর ব্যাটিং ক্রিজে জুটি বাঁধেন মাসাকাদজা-টেইলর। ৪৫ রানের জুটি গড়ে দলকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন তারা। মাহামুদুল্লাহর বলে এলবির ফাঁদে পড়ে ৪২ রান করা মাসাকাদজা সাজঘরে ফেরেন। এরপর জিম্বাবুয়ে শিবিরে আবারো হানা দেন মাহামুদুল্লাহ। মাসাকাদজাকে ফেরানোর পর এবারে তিনি চাকাবায়াকে বোল্ড করে সাজঘরে ফেরান। এরপর মুশফিকের অসাধারণ ক্যাচে সাজঘরে ফেরেন ক্রমেই বাংলাদেশের গলার কাঁটা হয়ে উঠা টেইলর। ৩০তম ওয়ানডে অর্ধশতক করে মাশরাফির বলে আউট হন টেইলর (৫৪ রান)। আবারো মাশরাফি হানা দেন সফরকারীদের ব্যাটিং লাইনআপে। এবারে তিনি ফেরান চিগুম্বুরাকে।সাব্বিরের হাতে ক্যাচ তুলে দেওয়ার আগে জিম্বাবুয়ে দলপতি করেন ১৫ রান।
এরপর সফরকারীদের সপ্তম উইকেটটি তুলে নেন সাকিব। ১১ রান করা সলোমন মিরেকে বোল্ড করে সাজঘরে ফেরত পাঠান তিনি। পরের ওভারেই পানিয়াঙ্গারাকে বোল্ড করেন আরাফাত সানি। সাকিবের চতুর্থ শিকারে আউট হন নাইম্বু। মাহামুদুল্লাহর হাতে ধরা দেন নাইম্বু। আর শেষের উইকেটটি তুলে নেন সানি। জিম্বাবুয়ের দলীয় শতক আসে ১৮.৩ ওভারে। যেখানে পাওয়ার প্লে’র দশ ওভারেই তারা তুলে ফেলেছিল ৫৯ রান। আর ২০ ওভার শেষে সফরকারীরা ৩ উইকেট হারিয়ে তুলে ১০৭ রান। ৩০ ওভার শেষে ৫ উইকেট হারিয়ে চিগুম্বুরাবাহিনী তোলে ১৪৬ রান। ৪০ ওভার শেষে ৯ উইকেট হারিয়ে তারা ১৮০ রান তোলে।
এর আগে চট্রগ্রামে জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে বসুন্ধরা সিমেন্ট পাঁচ ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটিতে টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নামে স্বাগতিকরা। সাকিব আল হাসানের ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ সেঞ্চুরিতে সাত উইকেট হারিয়ে ২৮১ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায় টাইগাররা। এছাড়া দলের হয়ে ৬৫ রান আসে মুশফিকুর রহিমের ব্যাট থেকে। আর অভিষেক ম্যাচে ২৫ বলে ৪৪ রান করে দলের বড় সংগ্রহে সাহায্য করেন সাব্বির রহমান।




