তিনি বলেন, স্বৈরাচারী সরকারকে বিদায় করে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠন করতে হবে। সেই সরকার হবে দুর্নীতিমুক্ত ও জনগণের। যে সরকারের সময়ে কোনো সন্ত্রাস থাকবে না, লুটপাট হবে না, দুর্নীতি হবে না। সাধারণ মানুষ নির্ভয়ে চলাফেরা ও বসবাস করতে পারবে। এ জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কঠোর আন্দোলনে নামার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এর আগে সাধারণ মানুষের কাতারে গিয়ে তাদের বুঝাতে হবে এবং তাদের আশ্বস্থ করতে হবে।
খালেদা জিয়া ও বিএনপির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে অভিযোগ করে ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া বলেন, এরই অংশ হিসেবে তারেক রহমানকে গ্রেনেড হামলায় অর্ন্তভুক্তি আর বিডিআর মামলায় জড়ানো হচ্ছে। খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধেও একাধিক মিথ্যা মামলা দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, এসব ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে এবং প্রতিহত করতে হবে। এই স্বৈরাচার সরকারের পতনে ঘটাতে সবাইকে ত্যাগ স্বীকার করে রাজপথে নামতে হবে। সুষ্ঠু ও নিরপক্ষে নির্বাচন দিতে বাধ্য করতে হবে।
বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান সোহেল বলেন, আওয়ামী লীগ নেতারা বারবার বলেন- বিএনপিতে আওয়ামী লীগের লোক আছে। এইচ টি ইমাম বিএনপির লোক, তিনিও আওয়ামী লীগে আছেন! স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি হাবিব উন নবী খান সোহেলের সভাপতিত্বে সভায় অন্যদের মধ্যে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক মীর সরফত আলী খান সফু, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল বারী বাবু, ইয়াসিন আলী প্রমুখ বক্তব্য দেন।




