গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালক নিয়োগে বিধিমালা পরিবর্তন করা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। এর আগে পরিচালক নিয়োগের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংককে দায়িত্ব দেওয়া হলে তারা সেটা করেনি। মঙ্গলবার সচিবালয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, দুই এক দিনের মধ্যে এ বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংককে এ দায়িত্ব দেওয়া হলেও তারা নিয়ন্ত্রক সংস্থা না হওয়ায় এ দায়িত্ব নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। গ্রামীণ ব্যাংকের ২৫ শতাংশ মালিকানা সরকারের, আর বাকি ৭৫ শতাংশ মালিকানা ঋণগ্রহীতা সদস্যদের। এতো দিন গ্রামীণ ব্যাংকের তত্ত্বাবধানে ঋণগ্রহীতা সদস্যদের মধ্য থেকে পরিচালক নির্বাচন করা হতো।
গত ৬ এপ্রিল গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালক নির্বাচনের বিধিমালা জারি করে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ। বিধিমালায় বাংলাদেশ ব্যাংককে নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য ৬ মাসের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়। গত মাসে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংককে তাগিদ দেওয়া হয়। এর পরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, কোনো ব্যাংকেরই পরিচালক নির্বাচন প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে চায় না তারা।
সাধারণত বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকে বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা নির্বাচিত হন। আর শতভাগ রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকেও এজিএমের মাধ্যমে পর্ষদ সদস্য নিয়োগের বিধান রয়েছে।




