ডেস্ক রিপোর্ট (বিডি সময় ২৪ ডটকম)
রাজধানীতে এবার প্রতি বর্গফুট কোরবানির গরুর চামড়া ৮৫ থেকে ৯০ টাকার মধ্যে ও রাজধানীর বাইরে ৭৫ টাকা থেকে ৮০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া খাসির চামড়া চামড়া প্রতি বর্গফুট ৫০ থেকে ৫৫ টাকা এবং বকরির চামড়া ৪৫ টাকা থেকে ৫০ টাকা রাখা হয়েছে।
শনিবার বাংলাদেশ হাইড অ্যান্ড স্ক্রিন মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ ট্যানারি অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএ), বাংলাদেশ ফিনিশড লেদার লেদারগুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার এক্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশনের (বিএফএলএলএফইএ) নেতারা এক হয়ে এ দাম নির্ধারণ করেন।
জানা গেছে, এবার স্কয়ার ফিট অনুযায়ী কাঁচা চামড়ার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। এবারের কোরবানির ঈদে ৩০ লাখ গরু ও মহিষের চামড়া এবং ৪০ লাখ ছাগল ও ভেড়ার চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ হাইড অ্যান্ড স্ক্রিন মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশন।
গত কোরবানিতে পশুর চামড়ার দাম নির্ধারণ না করায় ফড়িয়া, পোস্তা এবং ট্যানারি মালিকের মধ্যে একটা টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল। দাম নির্ধারণের ফলে এবার এ সংকট নিরসন হবে।
বাংলাদেশের কাঁচা চামড়ার হিসাব:
২০১৩ সালে তিনটি সংগঠনের হিসাবে দেখা যায়, গত বছর ৩০ লাখ গরু ও মহিষের চামড়া সংগ্রহ করা হয়। অন্যদিকে, ৩০ লাখ ছাগল ও ভেড়ার চামড়া সংগ্রহ করা হয়। প্রতি স্কয়ার ফুট গরুর চামড়া ৭০ থেকে ৭৫ টাকা এবং ছাগলের চামড়া বিক্রি হয়েছিল ২৫ থেকে ৩০ টাকা দরে।
তিনটি সংগঠনের ২০০৯-১০ সালের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, সারাবছর ৬০ লাখ গরু, মহিষ ও বাছুরের চামড়া সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে ঈদুল আজহায় প্রাপ্ত চামড়ার সংখ্যা ২৪ লাখ পিচ।
একই সময়ে বাৎসরিক হিসাবে ছাগল ও ভেড়ার চামড়া সংগ্রহ করা হয়েছিল ১ কোটি ৮০ লাখ পিস। এর মধ্যে শুধু ঈদ-উল আজহায় ৭০ লাখ পিস চামড়া সংগ্রহ করা হয়। এ হিসাবই বলে দেয়, দেশে কোরবানি ঈদেই সবচেয়ে বেশি চামড়া সংগ্রহ করা হয়।




