ডেস্ক রিপোর্ট (বিডি সময় ২৪ ডটকম)
ফাঁসির রায় ঘোষণার পর পরই ফাঁসির প্রকোষ্ঠ বা কনডেম সেলে পাঠানো হয়েছে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে। পরানো হয়েছে কয়েদির পোশাক। কাশিমপুর কারাগার-১-এ সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীসহ মোট ফাঁসির আসামি আছে ৭৮ জন। এদের মধ্যে আছেন জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসেন সাঈদী, আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ ও জেএমবি নেতা সালাউদ্দিন সালেহীন।
তবে ফাঁসির রায়ের দুই সপ্তাহ পরও জামায়াত নেতা আব্দুল কাদের মোল্লাকে নেয়া হয়নি কনডেম সেলে। এখনও কাশিমপুর কারাগারের পার্ট-১ এর ৬০ নম্বর জেলে রাখা হয়েছে তাকে। কারণ, এখনও পৌঁছেনি আপিল বিভাগের রায়। রায় পৌঁছতে দেরি হওয়ার কারণ জানতে চাইলে কাশিমপুর কারাগারের জেলার সুভাষ চন্দ্র ঘোষ বলেন, ‘এটা আদালতের বিষয়। কেন দেরি হচ্ছে তা আমরা বলতে পারবো না।’
মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ের আগের সন্ধ্যায় সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে ঢাকায় আনা হয় কাশিমপুর কারাগার থেকে। ২০১২ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে এই কারাগারের চিত্রা ভবনে ছিলেন এই বিএনপি নেতাকে। রায় ঘোষণার পর তাকে কাশিমপুর কারাগারে ফিরিয়ে নেয়ার পর পর চিত্রা ভবন থেকে নেয়া হয় কনডেম সেলে।
জানতে চাইলে কারাগার পার্ট-১ এর জেলার মো. মজিবুর রহমান জানান, রায় শেষে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে প্রথামে নেয়া হয় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে। সেখান থেকে রাত ৯ টার দিকে এই বিএনপি নেতাকে নেয়া হয় কাশিমপুরে ।
কাশিমপুর কারাগারের পার্ট-২ এর জেলার সুভাষ চন্দ্র ঘোষ জানান, আপিল বিভাগে ফাঁসির দণ্ড পাওয়া জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল কাদের মোল্লার মৃত্যুদণ্ডের আদেশের পরই তার জন্য কনডেম সেল প্রস্তুত রেখেছেন তারা। পূর্ণাঙ্গ রায় আসার পর পরেই তাকে পাঠানো হবে সেখানে। কনডেম সেলে না পাঠানোয় কাদের মোল্লা এখনও মালির কাজ করছেন। সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত এই কাজে ব্যস্ত থাকেন তিনি। গত ৫ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয় কাদের মোল্লাকে। পরে ১৮ সেপ্টেম্বর দণ্ড বাড়িয়ে ফাঁসির আদেশ দেয় আপিল বিভাগ।




