রাজধানীর শাহজাদপুরে গুলশান-বারিধারা লেকের অংশে ভরাট ও অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে সাত দিনের মধ্যে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। জনস্বার্থে দায়ের করা এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি জিনাত আরা ও বিচারপতি জে এন দেব চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চ ২২ জুন এ আদেশ দেন। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশকে (ডিএমপি) আদালতের এ নির্দেশ বাস্তবায়ন করে ৩ সপ্তাহের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে। এ আদেশের পাশাপাশি আদালত রুলও জারি করেন। রুলে গুলশান লেকে মাটি ভরাট ও স্থাপনা নির্মাণের ক্ষেত্রে কাউকে অনুমতি না দিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়েছেন।
৪ সপ্তাহের মধ্যে পরিবেশ সচিব, রাজউক চেয়ারম্যান, ডিএমপি কমিশনারসহ সংশ্লিষ্ট ৮ জনকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ। একটি জাতীয় দৈনিকে এ নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন যুক্ত করে ২১ জুন রিট আবেদনটি দায়ের করা হয়। ওই দৈনিকের প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘রাজধানীর শাহজাদপুরে গুলশান-বারিধারা লেকের অংশে গড়ে উঠছে নতুন স্থাপনা। এসব স্থাপনার কারণে লেকের আয়তন কমছে।’ গুলশান ১০৬ নম্বর সড়কের পাশে লেকের অংশ ভরাট করে নতুন-পুরনো টিন দিয়ে স্থাপনা তৈরি করা হচ্ছে। মিস্ত্রিরা বলেন, তারা মজুরির বিনিময়ে স্থাপনা তৈরি করছেন। এর বাইরে তারা কিছু জানেন না। ‘এসব স্থাপনার মধ্যে রয়েছে রিকশার বিশাল আয়তনের গ্যারেজ, গরুর খামার, বাগানবাড়ি ও নিম্নবিত্তদের কাছে ভাড়া দেওয়া টিনের ঘর। এছাড়া সেখানে রয়েছে গ্রিলের দোকান, ভাঙারির দোকানসহ অন্তত ৪০টি দোকানঘর। লেকের পাড়ে খান ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস নামে স্টিল ও লোহার সরঞ্জাম তৈরির একটি দোকান রয়েছে। এর মালিক আলাউদ্দিন ভূঁইয়া।’




