সোমবার, অক্টোবর ২৬, ২০২৬
প্রচ্ছদচট্রগ্রাম প্রতিদিনকোকেন আমদানি সন্দেহে আটক কনটেইনার পরীক্ষা চলছে

কোকেন আমদানি সন্দেহে আটক কনটেইনার পরীক্ষা চলছে

ভোজ্য তেলের ঘোষণা দিয়ে কোকেন আমদানি সন্দেহে চট্টগ্রাম বন্দরে আটক কনটেইনার খোলা হয়েছে।  নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হচ্ছে।  তবে এখনো কনটেইনারে কোকেন আছে কি না তা নিশ্চিত হতে পারেনি পরীক্ষক দল। শনিবার রাতে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে একটি চোরাচালান চক্র শতকোটি টাকা মূল্যের কোকেন নিয়ে আসে বলে খবর পায় নগর পুলিশ।  বিষয়টি শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগকে জানানো হয়।  তারা কনটেইনারটি সিলগালা করে দেয়। সোমবার বেলা সাড়ে এগারটার দিকে চট্টগ্রাম বন্দর, পুলিশ, মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও শুল্ক গোয়েন্দা দপ্তরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে বন্দরের ৪নং গেইটের পাশে কনটেইনারটি খোলা হয়।

কনটেইনার থেকে ১০৭টি প্লাস্টিকের ড্রাম বের করে আনা হয়।  ড্রামগুলোর গায়ে ভোজ্য তেলের লেভেল রয়েছে। তবে তরল কোকেন হওয়ায় এখনো সনাক্ত করতে পারেনি পরীক্ষক দল।  তারা নমুনা সংগ্রহ করছেন।  নমুনাগুলো পরীক্ষা করে দেখবেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কেন্দ্রীয় রাসায়নিক পরীক্ষাগারের প্রধান রাসায়নিক পরীক্ষক দুলাল কৃষ্ণ সাহা। শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মইনুল খান বলেন,‘সবগুলো ড্রামে নয়, কয়েকটি ড্রামে কোকেন থাকতে পারে।  আন্তর্জাতিক সূত্রে এ খবর আমরা পেয়েছি।  কোকেন যে ড্রামগুলোতে আছে সেগুলোর আকার ও ওজনে পার্থক্য থাকবে।  নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে।  পরীক্ষার-নিরীক্ষার পর বিস্তারিত বলা যাবে। কনটেইনার খোলার সময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশের বিশেষ শাখার অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক জাবেদ পাটোয়ারি, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বজলুর রহমান ও নগর পুলিশ কমিশনার আবদুল জলিল মণ্ডল,  নগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ ও অভিযান) বনজ কুমার মজুমদার, চট্টগ্রাম বন্দরের পরিচালক(পরিবহন) গোলাম সরওয়ার ও পরিচালক (নিরাপত্তা) লে. কর্নেল আলমগীর কবির।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ