রবিবার, অক্টোবর ২৫, ২০২৬
প্রচ্ছদজাতীয়দেশের দক্ষিণাঞ্চলে সেনাবাহিনীর নতুন পূর্ণাঙ্গ ডিভিশন গঠন করা হচ্ছে : শেখ হাসিনা

দেশের দক্ষিণাঞ্চলে সেনাবাহিনীর নতুন পূর্ণাঙ্গ ডিভিশন গঠন করা হচ্ছে : শেখ হাসিনা

দেশের দক্ষিণাঞ্চলে সেনাবাহিনীর নতুন পূর্ণাঙ্গ একটি ডিভিশন গঠন করার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২১ নভেম্বর  শুক্রবার ‘সশস্ত্র বাহিনী দিবস-২০১৪’ উপলক্ষে ঢাকা সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জে আয়োজিত বৈকালিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি একথা জানান। বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘জাতির পিতার নির্দেশে প্রণীত ১৯৭৪ সালের প্রতিরক্ষা নীতির আলোকে ফোর্সেস গোল-২০৩০ প্রণয়ন করা হয়েছে। এই গোল বাস্তবায়নের অংশ হিসাবে আমরা ইতোমধ্যে সিলেটে একটি পদাতিক ডিভিশন প্রতিষ্ঠা করেছি। এছাড়া এরিয়া সদর দপ্তরসহ ৬টি নতুন ইউনিট গঠন করা হয়েছে। রামুতে একটি নতুন পদাতিক ডিভিশন গঠনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। দেশের দক্ষিণাঞ্চলেও একটি ডিভিশন গঠন করা হচ্ছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সশস্ত্র বাহিনীকে একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সক্ষম করে গড়ে তুলতে চাই। সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীকে দেশে ও বিদেশে উন্নততর প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। আধুনিক যুদ্ধ সরঞ্জাম দিয়ে সজ্জিত করা হচ্ছে।’ সেনাবাহিনীর মাধ্যমে বনায়নের পদক্ষেপের কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার জাহাইজ্জ্যার চর এলাকার সব খাসজমি পরিকল্পিতভাবে বনায়নের জন্য সেনাবাহিনীর অনুকূলে দীর্ঘমেয়াদী বন্দোবস্ত দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও ক্যারিং চর প্রদানের বিষয়টিও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

সেনাবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা নতুন ট্যাংক, এপিসি, মাল্টিব্যারেল রকেট লাঞ্চারসহ বহু অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র সংযোজন করেছি।’ সেনাবাহিনীতে কর্মরতদের পেশাগত মান বৃদ্ধি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি (বিএমএ) ক্যাডেটদের প্রশিক্ষণ ২ বছর থেকে বৃদ্ধি করে ৩ বছর এবং সৈনিকদের মৌলিক প্রশিক্ষণ ৬ মাস থেকে ১ বছরে উন্নীত করেছি। এছাড়া ক্যাডেটদের জন্য বিএমএ-তে প্রশিক্ষণরত অবস্থায় সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেক্ট্রিক্যাল, ইলেক্ট্রনিক অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, বিবিএ, পদার্থ বিজ্ঞান ও অর্থনীতি বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন এবং সৈনিকদের উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সামরিক বাহিনীতে চিকিৎসা সেবা আধুনিকায়নের জন্য সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালসমূহে আধুনিক যন্ত্রপাতির সরবরাহ করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় সংখ্যক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের ঘাটতি মেটাতে সম্প্রতি সেনাবাহিনীতে সরাসরি মেজর পদে এফআরসিএস, এফসিপিএস ইত্যাদি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।’

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ‘১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে আমরা ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ, মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সাইন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, আর্মড ফোর্সেস মেডিক্যাল কলেজ, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পিস সাপোর্ট অপারেশন ট্রেনিং এর মতো প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেছি। ‘এছাড়া ৫২ পদাতিক ব্রিগেড, বঙ্গবন্ধু সেতুর নিরাপত্তার জন্য একটি কম্পোজিট ব্রিগেডসহ ছোট বড় বিভিন্ন ইউনিট প্রতিষ্ঠা করেছি। পদাতিক বাহিনীর জন্য বাংলাদেশ ইনফেন্ট্রি রেজিমেন্ট নামে একটি নতুন রেজিমেন্ট গঠন করেছি।

  • বিষয়:
  • top
আরও পড়ুন

সর্বশেষ