শুধুমাত্র মুনাফা বাড়ানো লক্ষে ব্র্যাক ব্যাংক তাদের কর্মকর্তা ও কর্মচারী ছাটায় শুরু করেছে। ইতিমধ্যে তারা ১৯ জন সিনিয়র কর্মকতাকে কোন প্রকার নোটিশ ছাড়াই চাকুরীচ্যুত করে। চাকরি বিধিতে নিয়ম থাকলেও কোন প্রকার নোটিশ না দিয়ে জোরপূর্বক চাকুরীচ্যুতির চিঠি ধরিয়ে দেন। কোন নিয়ম নীতির তোয়াকা না করে তাদের ইচ্ছামত লোক ছাটায়ের ফলে সকলের মধ্যে আতন্ক সৃষ্টি হয়েছে। ফলে কেউ ঠিক মত কাজে মনযোগ দিতে পারছে না। কোন প্রকার মাপকাঠি ছাড়া কর্তৃপক্ষ যখন যাকে ইচ্ছা তাকে ছাটাই করছে। এতে করে অনেক দক্ষ কর্মকর্তাও ছাটায় হয়। দীর্ঘদিন ব্র্যাক ব্যাংকে শ্রম দিয়েও খুবই অপমান জনকভাবে তাদেরকে চাকুরী থেকে বিদায় নিতে হচ্ছে। এতে করে তারা পারিবারিক ও সামাজিকভাবে অপদস্থ হচ্ছে। চাকুরীচ্যুত কয়েকজনের সাথে কথা বললে তারা সকলে কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন এই বয়সে এসে পারিবারিক ও সামাজিকভাবে অপদস্থ হতে হবে তা কখনোই ভাবিনি। এত বছর কাজ করার পর আজ এই প্রতিদান পেলাম। হটাৎ করে চাকুরীচ্যুত হওয়ায় নতুন চাকুরী যোগাড় করা খুবই কঠিন হয়ে পড়বে। দক্ষ জনবল কমিয়ে কখনো একটি ব্যাংকের স্বাভাবিক কার্যক্রম চলতে পারে না। বরং এতে করে গ্রাহকের আমানত ঝুঁকি বেড়ে যায়। বর্তমানে কর্মকর্তাদের মধ্যে চরম আতন্ক বিরাজ করছে।
তবে এসব বিষয়ে ব্যাংকের কমউিনকিশেন ও র্সাভসি কোয়ালটিি বভিাগরে প্রধান জীশান কংিশুক হক বলনে, কাউকে জোরর্পূবক পদত্যাগে বাধ্য করা হয়ন।ি প্রতি মাসে প্রায় ১০ শতাংশ র্কমী ব্যাংক ছড়েে যান। এরই অংশ হসিবেে চলতি মাসে অনকেইে পদত্যাগ করছেনে। আরো অনেকে পদত্যাগ করতে পারে বলে তিনি ইঙ্গিত দেন।
জানা গেছে বর্তমান ব্যাবস্থাপনা পরিচালক সযৈ়দ মাহবুবুর রহমান ব্র্যাক ব্যাংক যোগদানের পর থেকেই কর্মকর্তা কর্মচারীদের উপর নানা রকমের চাপ সৃষ্টি করে আসছিল। ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরচিালক মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদ এবং মানবসম্পদ বভিাগরে প্রধান ফাতমো রজিওয়ানা মিলে মালিক পক্ষকে খুশি করতেই কর্মী ছাটায় প্রক্রিয়ায় জড়িত বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।




