ষ্টাফ রিপোর্টার (বিডিসময়২৪ডটকম)
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ বলেছেন, দেশের মানুষ একের পর এক হত্যা করতে পারে না। কিন্তু সরকার তার আজ্ঞাবহ যৌথবাহিনী দিয়ে মানুষ হত্যা করছে। শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন। গতকাল কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর আজ প্রথম কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এলেন তিনি।
তিনি বলেন,সরকার মানুষ হত্যা করে ক্ষমতায় টিকে থাকতে চান। কিন্তু আমি সরকার বলে চাই, মানুষ হত্যা করে ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারবেন না। এখনো সময় আছে মানুষ হত্যা বন্ধ করুন এবং পদত্যাগ করে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিন।
সংবাদ সম্মেলনে রুহুল কবীর রিজভী বলেছেন, বহুল আলোচিত ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলার রায় রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও প্রহসনমূলক। বিরোধী দলকে ধ্বংস করার জন্য এই রায় দেয়া হয়েছে। এই রায় আমরা মানি না, আমরা উচ্চ আদালতে আপিল করবো।
তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ সরকার বাংলাদেশের অনেক জেলা অন্ধকারের বদ্যভূমিতে পরিণত করেছে। এই ভয়াবহ পরিস্থিতি থেকে জনগণকে মুক্তি করতে আন্দোলন ছাড়া অন্য কোনো পথ নেই। কঠোর আন্দোলনের মধ্য দিয়ে এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে। আমরা আন্দোলনে আছি, থাকবো। আন্দোলন চলবে।
রিজভী অভিযোগ করেন, সরকার অগণতান্ত্রিকভাবে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে আটক করে রেখেছিল। তাকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছিল। তিনি বলেন, এতো কিছুর পরেও খালেদা জিয়া জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের হাল ধরে রেখেছেন। আপোষহীনভাবে সংগ্রাম চালিয়ে দলের নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত করে রেখেছেন।
তিনি বলেন, আমাদের সংগ্রাম ছিল ন্যায় ও গণতন্ত্রের পক্ষে। আমরা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পক্ষে সংগ্রাম করছি। আমরা ছিলাম সত্যের পক্ষে, ন্যায় এবং মানুষের পক্ষে। আমাদের আন্দোলন চলছে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত চলবে।
সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আব্দুস সালাম, বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আসাদুজ্জামান রিপন, সহ-দফতর সম্পাদক আব্দুল লতিফ জনি, আসাদুল করিম শাহীন, ধর্মবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাসুক তালুকদার, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।




