ডেস্ক রিপোর্ট (বিডি সময় ২৪ ডটকম)
প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়, তার সরকারি বাসভবন গণভবন ও গণভবন কমপ্লেক্সে প্রথম আলো পত্রিকা সরবরাহে মৌখিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। বাংলাদেশ সচিবালয় ও মন্ত্রী পাড়ায়ও অনুরূপ সিদ্ধান্ত হতে চলেছে বলে জানা গেছে।
ঈদুল আযহার তিনদিনের ছুটির পর শনিবার প্রথম আলোর প্রিন্ট ভার্সন প্রকাশিত হয়। এদিন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ও গণভবনে পত্রিকাটির একটি কপিও ঢোকেনি। সরকারের কর্মকাণ্ড নিয়ে অতিমাত্রায় বিরূপ হওয়াই এ সিদ্ধান্তের কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, পাঠক হিসাবে তাদের বিবেচনায় মহাজোট সরকারের সমর্থক ব্যাপক জনগোষ্ঠীর আশা আকাঙ্খার প্রতিফলন এখন পত্রিকাটিতে প্রায় অনুপস্থিত। অথচ জাতীয় মর্যাদাশীল গণমানুষের মুখপাত্র হিসাবে সংবাদ পরিবেশন ও সম্পাদকীয় নীতিতে ভারসাম্য থাকা বাঞ্ছনীয়। আরো জানা গেছে, মহাজোটের নেতা-কর্মী-সমর্থকদের মতামতের প্রতিনিধিত্বশীল অনুপাতে প্রতিফলনের ব্যাপারে প্রথম আলো আজকাল চূড়ান্ত উদাসীন।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং-এ কর্মরত একজন প্রভাবশালী কর্মকর্তা এ প্রসঙ্গে মন্তব্য করেন, ‘যে ছেলে বা মেয়েটি ক্লাসে ফার্স্ট হয় তাকেও শতভাগ নম্বর পেতে হয় না বা সেও পায় না। পূর্ণ নম্বর থেকে সে কত কম পেল সেটিই কী শুধু খবর? সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের পর যে বিষয়টি সামনে এসেছে তা হল বর্তমান সরকার ব্যাপক উন্নয়ন করেছে। বিনা পয়সায় সরকারের উন্নয়ন নিয়ে এমন প্রচার ও মানুষের অনুভূতিকে স্পর্শ করা আর কখনোই এভাবে সম্ভব হয়নি। সরকারের উন্নয়ন কাজের জন্য গণমাধ্যমের যে স্বীকৃতি ও সম্মান প্রাপ্য, তা না পেলে মর্মাহত হওয়াই তো স্বাভাবিক।’
উল্লেখ্য, আলোচ্য পত্রিকাটির সম্পাদকীয় অনুসৃত নীতি এক-এগারো পরবর্তী সরকারের বিরাজনীতিকীকরণকে সমর্থন দিয়েছিল বলে অভিযোগও আছে।




