চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এমপি. বলেছেন, বাঙালির হাজার বছরের পরাধীনতার ইতিহাসে বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে স্বাধীন বাংলাদেশের সৃষ্টিই হতো না। একাত্তরের পরাজিত শক্তি ও জাতীয়-আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রকারীরা পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু মুজিবকে স্বপরিবারে হত্যা করেছিল। খুনিরা মনে করেছিল বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে দেশকে পাকিস্তানি ভাবধারায় ফিরিয়ে নিয়ে যাবে; কিন্তু তাদের স্বপ্ন দু:স্বপ্নে পরিণত হয়েছে। বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে জাতির সমস্ত অর্জন ধ্বংস ও দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা ব্যহত করা হয়। আল্লাহর রহমতে বাংলার জনগণের সমর্থন নিয়ে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা রাস্ট্র ক্ষমতায় এসে দেশকে উন্নয়ন-অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। তিনি দৃঢ়তার সাথে বলেন, বাংলাদেশের মাটিতে পঁচাত্তরের মত আর কোন ষড়যন্ত্র হতে দেয়া হবে না। ২০০১ সালে বিএনপি-জামাত জোট সরকারের আমলে ২৫ হাজার আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী হত্যা করা হয়েছে। আন্দোলনের নামে পেট্রোল বোমা মেরে জীবন্ত মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করেছেন, বাংলাদেশের মাটিতে তাদের রাজনীতি করার কোন অধিকার নেই। তাদেরকে রাজনীতির মাঠে প্রতিহত করার জন্য তিনি আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের প্রতি আহবান জানান। আজ ১৫ আগস্ট শনিবার সকালে নগরীর দোস্ত বিল্ডিং চত্বরে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। সংগঠনের প্রস্তাবিত কমিটির সহসভাপতি এড.ফখরুদ্দিন চেীধুরী সভাপতিত্বে ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র দেবাশীষ পালিতের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধন আলোচক ছিলেন সাংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শেখ মোহাম্মদ আতাউর রহমান,অন্যান্যদের মধ্যে আলোচনায় অংশ নেন প্রস্তাবিত কমিটির সহ সভাপতি মো: আবুল কালাম আজাদ,এটিএম পেয়ারুল ইসলাম, স্বজন কুমার তালুকদার, আবুল কাশেম চিশতি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুরুল আনোয়ার চৌধুরী বাহার, জসিম উদ্দিন শাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক মহিউদ্দিন বাবলু,নজরুল ইসলাম তালুকদার, সম্পদক মন্ডলীর সদস্য মো: আলী শাহ, জাফর আহমেদ, বেদারুল আলম চৌধুরী বেদার, আলাউদ্দিন সাবেরী,ইজি: মেজবাউল আলম, নুর খান,আকতার হোসেন খান, সদস্য মো: শওকত আলম,মহিউদ্দিন মনজু, মো: সেলিম উদ্দিন,
মনজুর মোশেদ ফিরোজ, সরোয়ার জামিল শামীম,বখতেয়ার সাঈদ ইরান,আকতার উদ্দিন মাহমুদ পারভেজ, আওয়ামীলীগ নেতা ফোরকান উদ্দিন,মো: জহির,মহিলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পদিকা এড. বাসন্তী প্রভা পালিত, সহসভাপতি সৈয়দা রিফাত আকতার নিশু, কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা রাশেদ খান মেনন, শেখ ফরিদ চৌধুরী, যুব মহিলা লীগের যুগ্ন আহবায়িকা এড. জোবায়দা সরোয়ার নিপা, জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি তানভির হোসেন তপু, সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম প্রমুখ। প্রধান অতিথি আরো বলেন, তিনি জিয়া মোস্তাকই বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের মূল ষড়যন্ত্রকারী। বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডে জড়িতদের বিচার হলেও ষড়যন্ত্রকারী কুশীলবদের বিচার হয়নি। বাংলাদেশের মাটিতে ভবিষ্যতে তাদেরও বিচার হবে। বঙ্গবন্ধু হত্যার পর আওয়ামী লীগ বারেবারে সংকটে পড়েছে। কিন্তু আওয়ামী লীগের কর্মীরা জানে কিভাবে সংকট মোকাবেলা করতে হয়।চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের অন্যান্য কর্মসূচীর মধ্যে ছিলো সকাল ৭ টায় জাতীয় ও দলীয় পতাকা অর্ধনর্মিত করন এবং কালো পতাকা উত্তোলন, সকাল ৯টায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল, সাড়ে ৯টায় জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান ও পুষ্পস্তবক অর্পন,সকাল ১০ টায় আলোচনা সভা, দুপুর ১২ টায় দূ:স্থদের মাঝে খাবার বিতরণ ।
বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে স্বাধীন বাংলাদেশের সৃষ্টিই হতো না ঃ ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ



