ডেস্ক রিপোর্ট (বিডি সময় ২৪ ডটকম)
সকল ক্ষমতার উৎস জনগণের দাবির পাত্তাই দেয়া হচ্ছে না। আদালতের নির্দেশনার যেটুকু নিজেদের অনুকূলে সেটুকুই বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। দেশী-বিদেশী বোদ্ধাদের পরামর্শকে আমলেই নিচ্ছেন না। যে কারণে নির্বাসনের পথে গণতন্ত্র। চরম অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে দেশকে। প্রবীণদের মতে ৪২ বছরের ইতিহাসের নজিরবিহীন ঘটনার অবতারনা হচ্ছে বর্তমান সরকারের শাসনামলে। এ পরিস্থিতির জন্য সরকার প্রধানের একগুঁয়েমি ও গোঁয়ারতুমি দায়ী বলে মনে করেন বিভিন্ন মহল। দলদাসের জামানায় সংকট সমাধানের পথে একমাত্র অন্তরায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নির্বাচনকালীন সরকার প্রশ্নে মন্ত্রিপরিষদের সভার সিদ্ধান্তের পর পাল্টে গেছে বিরোধী দলের আন্দোলনের ফরমেট। সূত্র মতে, ২৫ অক্টোবরের পর সরকার প্রধান শেখ হাসিনা হঠাও আন্দোলনে নামবেন জোটনেত্রী বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া। পাশাপাশি থাকবে নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকার প্রতিষ্ঠার দাবি। ইতোমধ্যে তার প্রস্তুতিও চলছে। ঈদের পর বাস্তব চিত্র মিলবে।
এদিকে অতীত অভিজ্ঞতার আলোকে দলের ভেতর ঘাপটিমেরে থাকা ষড়যন্ত্রকারীদের বিষয়েও নজর রাখছেন দলীয় প্রধান। লন্ডনে চিকিৎসাধী দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছেও তথ্য পৌঁছেছে। তার পছন্দের লোকজন দিয়েও সরকারের দালালদের তালিকা করাচ্ছেন।
নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, সরকারের সাথে আঁতাতকারী নেতাদের শনাক্ত করতে একটি টিম গঠন করা হয়েছে। ১/১১ এবং বর্তমানের চক্রান্তকারীদের চিহ্নিত করে নির্বাচনের আগেভাগেই সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে। অরপদিকে সন্দেহভাজন ওইসকল নেতারা তৃণমুলের তোপের মুখে পড়ার শঙ্কা বিরাজ করছে। ইতোমধ্যে কানাঘুষা হচ্ছে দলের কেন্দ্রীয় ও মাঠ পর্যায়ের সারা দেশের ৭৫ নেতা নিয়ে। স্থায়ী কমিটির দুই সদস্য, তিন ভাইস চেয়ারম্যান, চেয়ারপার্সনের দুই উপদেষ্টা, তিন যুগ্ম-মহাসচিব, এক ডজন সম্পাদক ও সহসম্পাদকের নামও রয়েছে তারেক রহমানের হাতে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নেতা জানান, তথ্য রয়েছে এদের নিয়ে পোস্টার ও লিফলেটও ছাড়া হতে পারে। অভিযোগ রয়েছে- এরা নিজেদের সম্পদ রক্ষায় সরকারের হয়ে বিরোধী দলে কাজ করছেন। প্রভাবে এবং কৌশলে তারা দলকে সরকারের পাতানো একদলীয় নির্বাচনের ফাদে ঠেলে দিতে চায়। দলীয় প্রধানকে বেকায়দায় ফেলে নির্বাচনে যাওয়ার চাউরও রয়েছে দলের ভেতরে-বাইরে।
এ প্রসঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির চার সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, আ স ম হান্নান শাহ, মির্জা আব্বাস ও গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বিভিন্ন সভা-সমাবেশে নিজেদের দলের বাস্তবতার কথা বলেছেন পাশাপাশি তৃণমুল নেতাকর্মীদের এ বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বানও জানিয়েছেন। এর আগে খোদ বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াও বলেছেন, অতীতে অনেকে অনেক কিছু করেছেন, নেতাকর্মীরা মাফ করে দিয়েছে। এবার তা করার চেষ্টা করলে মাঠে-ময়দানে নেতাকর্মীরা প্রতিশোধ করবে-প্রতিরোধ গড়ে তোলবে।
নজরদারিতে বিএনপির সন্দেহভাজন নেতারা:
ওয়ান ইলেভেনের সময় জিয়া পরিবারকে রাজনীতি থেকে মাইনাস করার যে ষড়যন্ত্র দলের ভেতর থেকে শুরু হয়েছিল, তেমন পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি দেখতে চান না বিএনপি চেয়ারপার্সনসহ তার আস্থাভাজন নেতারা। তাই বর্তমান প্রতিকূল পরিস্থিতিতে দলের বিতর্কিত, সুবিধাবাদী এবং চিহ্নিত নেতাদের ওপর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, লন্ডনে অবস্থানরত সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং জিয়া পরিবারের আস্থাভাজন কয়েকজন নেতা বিভিন্ন মাধ্যমে বিতর্কিতদের কর্মকান্ড নজরদারি করছেন।
২০০৭ সালের ১/১১-এর প্রেক্ষাপটে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের নামে রাজনৈতিক নেতাদের ওপর দমন-পীড়ন চালাতে শুরু করে। সেই সময় রাজনৈতিক নেতাদের অনেককেই যেতে হয় কারাগারে। কেউ বিদেশে পালিয়ে যান, আবার কেউ সরকারের সঙ্গে সমঝোতার পথ বেছে নেন। এর মধ্যে বিএনপি, বিশেষ করে জিয়া পরিবারকে সবচেয়ে বেশি বেকায়দায় পড়তে হয়। শীর্ষ নেত্রীর দুর্দিনে তাকে সহায়তা করার পরিবর্তে তার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির পথ বেছে নেন বিএনপির তৎকালীন মহাসচিব আব্দুল মান্নান ভুঁইয়াসহ তার অনুসারীরা। ফলে জিয়া পরিবারসহ বিএনপির অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়ে। মান্নান ভুঁইয়াকে সহযোগিতা করেন দলের তারকা নেতারা। অবশ্য তারা দলে ফিরেছে অঘোষিত মুছলেকা দিয়ে। খালেদা জিয়া দলের ঐক্যের স্বার্থে তাদের ক্ষমা করে গুরুত্বপূর্ণ পদ দেন বলে দাবি করা হয়। ওই সময় জিয়া পরিবারের পক্ষে কথা বলার মতো নেতার সংখ্যা হাতেগোনা দু-তিনজন ছিলেন। প্রথমে তৎকালীন চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আ স ম হান্নান শাহ এবং তৎকালীন যুগ্ম মহাসচিব গয়েশ্বর চন্দ্র রায় জিয়া পরিবারের পক্ষে সোচ্চার হন। পরে মান্নান ভূঁইয়াকে বহিষ্কার করে খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনকে মহাসচিব করা হলে খোন্দকার দেলোয়ার এবং রিজভী আহমেদ জিয়া পরিবারের পক্ষে অবস্থান নেন। এসব নেতা তখন খালেদাপন্থী হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। বিএনপি সূত্র মতে, সুবিধাবাদী নেতানির্ভর এই দলটির কিছু নেতাকে নিয়ে আবার গুঞ্জন শুরু হয়েছে। তাই হাই কমান্ডও তাদের ব্যাপারে খোঁজ-খবর নিতে শুরু করে এবং কিছু নেতার ওপর নজরদারি বাড়ায়।
খালেদাপন্থী হিসেবে পরিচিত বিএনপির একজন শীর্ষ নেতা জানান, দলের নেতারা একের পর এক অন্যায় করার পরও ‘দিল দরিয়া’ খালেদা জিয়া তাদের ক্ষমা করেছেন। এর মানে এই নয় যে, নতুন কেউ ষড়যন্ত্র করবে আর তিনি বসে থাকবেন। তাই সন্দেহভাজনদের সার্বক্ষণিক নজরে রাখা হচ্ছে। সূত্র মতে, শুধু সন্দেহভাজন নেতারাই নন, সেই সময় বিদেশে পালিয়ে যাওয়া এবং কারাগারে থাকা কিছু নেতাও আছেন নজরদারিতে। এ ক্ষেত্রে বিবেচনা করা হচ্ছে, কারা বর্তমান সরকারের আমলে বেশি সুবিধাভোগী, কারা প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য করে বহাল তবিয়তে আছেন, বিএনপির চেয়ে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে কাদের জন্য বেশি সুবিধা হবে। এছাড়া খালেদা জিয়ার আস্থাভাজন হলেও আগামী দিনের কান্ডারী তারেক রহমানের জন্য বিপজ্জনক হতে পারেন, তাও বিবেচনায় নেয়া হচ্ছে। দলের একজন সিনিয়র নেতার মতে, নিজেদের সুবিধার জন্য যারা দলের এবং জিয়া পরিবারের স্বার্থ বিসর্জন দিতে দ্বিধা বোধ করেন না, তাদেরই নজরদারিতে রাখা হয়েছে। টুথ কমিশনে নিজেকে দুর্নীতিবাজ হিসেবে স্বীকার করেছেন।
সূত্রটি নিশ্চিত করেছে, আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে নির্বাচনে অংশ নিতে বিএনপিকে বাধ্য করার ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। এ নিয়ে প্রতিপক্ষের নেতাদের সঙ্গে বিএনপির বিতর্কিত কিছু নেতা কয়েক দফা অনানুষ্ঠানিক বৈঠকও করেছেন। নির্বাচনে নেয়া সম্ভব না হলে খালেদা জিয়াকে নির্বাচনের বাইরে রাখতে এবং তাকে গ্রেফতার করারও একটি ষড়যন্ত্রও চলছে বলে সূত্র দাবি করেছে। এই ষড়যন্ত্রে বিএনপির কয়েকজন নেতা জড়িত রয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। শোনা যাচ্ছে, বিএনপিকে বেকায়দায় ফেলতে এই প্রক্রিয়ার নেতৃত্ব দিচ্ছেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের একজন প্রভাবশালী উপদেষ্টা এবং প্রধানমন্ত্রীর একজন উপদেষ্টা।
এদিকে, সম্প্রতি এক আলোচনা সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, খালেদা জিয়াকে নির্বাচনের বাইরে রাখার এবং গ্রেফতারের ষড়যন্ত্র চলছে। সরকার ৩টি লক্ষ্য সামনে রেখে এগোচ্ছে। প্রথমটি হলো, যে কোনো উপায়ে শেখ হাসিনার অধীনে সব দলকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করানো। দ্বিতীয়টি, জামায়াতকে ছাড় দিয়ে নির্বাচনে আনা। এই দুটি প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে যেনতেনভাবে খালেদা জিয়াকে নির্বাচনের বাইরে রাখা। এজন্য তাকে গ্রেফতার করারও ষড়যন্ত্র আছে। এই ষড়যন্ত্রে বিএনপির কয়েকজন নেতা জড়িত রয়েছেন। কয়েকজন বিএনপি নেতার সমালোচনা করে তিনি বলেন, ১/১১-এর সময় যারা বিএনপিকে ধ্বংস করতে চেয়েছিলেন, তারা আবারো দলে সোচ্চার হয়েছেন। তারা আবার খালেদা জিয়াকে ভুল বুঝিয়ে এই সরকারের অধীনে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পরামর্শ দিচ্ছেন।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের এই বক্তব্য এবং সন্দেহভাজন নেতাদের বিষয়ে বিএনপির অবস্থান সম্পর্কে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আ স ম হান্নান শাহকে জানান, গয়েশ্বর বাবুর বক্তব্য বাস্তবসম্মত। এর প্রমাণ হচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী বলছেন, বিএনপি দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে। অথচ খালেদা জিয়া বলেছেন, যাবেন না। তাহলে কোন বিএনপি দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে। প্রশ্ন হচ্ছে, কাদের ওপর ভরসা করে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলছেন। তারা কারা? তারা কি সেই বিশ্বাসঘাতক, যারা খালেদা জিয়াকে মাইনাস করতে চেয়েছিল?
বিএনপি এবং জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর দলের পক্ষ থেকে কী ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছেথ এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দল কী ব্যবস্থা নেবে, তা এখনই বলতে চান না। তবে ব্যক্তিগতভাবে এবং বিএনপির ও জিয়া পরিবারের আস্থাভাজন কয়েকজন নেতা এ ব্যাপারে নজরদারি করছেন, তা বলতে পারেন। সময়মতো জাতি সবকিছু জানতে পারবে।
হাসিনা হঠাও আন্দোলনের পক্ষে ১৮ দল :
মেয়াদের বেশী সময় সরকারে থাকার এখতিয়ার নেই। কিন্তু তার পরও থাকার যে অপকৌশল নেয়া হযেছে তার মুল হোতা সরকার প্রধান বলে মনে করছে ১৮ দল। তাই তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যাবস্থ প্রতিষ্ঠা করতে আওয়ামী লীগ যেমন ইয়াজ উদ্দিনের বিরুদ্ধে নেমেছিলো ঠিক সেভাবে স্বল্প সময়ে দুর্বার আন্দোলনের পক্ষে ১৮ দলীয় জোটের নেতারা। এ প্রসঙ্গে জোটের অন্যতম শরকি ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ নেজামী বলেন, নির্দলীয় সরকারের দাবি শুধু ১৮ দলের নয়, মহাজোটের অনেক শরীকই দাবি করছেন। ইতোমধ্যে তাদের শরীক এরশাদও ঘোষণা দিয়েছেন দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবেন না। কিন্তু ক্ষমতাকে আকড়ে রাখতেই আওয়ামী লীগ বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রীর একগোয়েমি করছেন। ১৬ কোটি মানুষের প্রত্যাশ্যা জলাঞ্জলি দিয়ে এক ব্যাক্তির অভিলাস পুরন করতে দেয়া যায় না। তিনি বলেন, এক ব্যাক্তিকে হঠাতে যে ধরনের আন্দোলনের প্রয়োজন আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তাই করা হবে।
বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ বলেন, কোনোভাবেই বর্তমান সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে না ১৮ দল। আমরা সকল ধরনের সুযোগ খোলা রেখেছি, কিন্তু সরকার তা বন্ধ করে দিচ্ছে। আমারা কোরবারীন ঈদ পর্যন্ত কর্মসূচী দিয়েছি। ওই সময় পর্যন্ত দেখবো সরকার তাদের একগোয়েমি সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে কিনা। অন্যথায় জনগণকে আরো সজাগ করে জোটনেত্রী নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য সময়োপযোগী আন্দোলন করবে।
খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা ইসহাক তাদের পরবর্তী কর্মকৌশল প্রসঙ্গে বলেন, সরকার হেফাজতকে দমন করতে গিয়ে মুসলমানের কাছে নিজেরাই দমিত হয়ে গেছে। ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য দমননীতি চালাতে থাকলে আমরাও ঘরে বসে থাকবো না। সব মহলের কথা রেখেছি বাধ্য করলে নরম কর্মসূচী জ্বলন্ত তাওয়ায় পরিণত হবে।
ইসলামিক পার্টির চেয়ারম্যান এডভোকেট আব্দুল মবিন আন্দোলন প্রসঙ্গে সরকারের একগুয়েমি সিদ্ধান্তের জবাব দেয়ার জন্য ১৮ দল প্রস্তুতি নিচ্ছে। যে আন্দোলন করলে সরকার তাদের অবস্থান পরিবর্তনের বাধ্য হয় সে ধরনের আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান বলেন, আওয়ামী লীগ বরাবরই দখলে বিশ্বাসী, তারা নামমাত্র মূল্যে গণভবন বরাদ্ধ নিয়েছিলো, শেখ রেহানার নামে ধানমন্ডিতে বাড়ী নিয়েছিলো, বংশধরদের জন্য নিরাপত্তার আইন করেছে কিন্তু কিছুই ধোপে টেকেনি। সংবিধানের দোহাই দিয়ে তাদের একদলীয় নির্বাচনও জনগণ করতে দেবে না। আওয়ামী লীগ ককনোই গণতান্ত্রিকভাবে ক্ষমতা ছাড়েনি, এবারো একই পথে। তারা নির্বাচন নিয়ে তামাশা করছে। সরকারের ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে ১৮ দল ওয়াকিবহাল। যথাসময়ে জোটনেত্রী খালেদা জিয়া যথাযথ আন্দোলনের ডাক দেবেন।
ডেমোক্রেটিক লীগ ডিএল-এর সাধারণ সম্পাদক সাইফুদ্দিন মনি বলেন, সরকার অবশ্যই আন্দোলনের মুখে তাদের অবস্থান পরিবর্তন করতে বাধ্য হবে। দাবি কী করে আদায় করতে হয় বিএনপি চেয়ারপার্সনের তা বেশ ভালো করে জানা আছে। তার নেতৃত্বে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। অক্টোবরেই সরকারের বিদায় ঘণ্টা বাজানো হবে বলেও হুশিয়ারী দেন এই নেতা।




