গত ১৫ ডিসেম্বর রাতে অষ্টম পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এর আগে ৬ ডিসেম্বর পে-স্কেলের বৈষম্য নিয়ে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে ফেডারেশনের নেতাদের সর্বশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষক নেতারা জানান, ওই বৈঠকে অর্থমন্ত্রী ৩টি দাবি পূরণের আশ্বাস দেন। এগুলো হল- বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের সপ্তম জাতীয় পে-স্কেলের অনুরূপ সিলেকশন গ্রেড ও টাইম স্কেল বহাল রাখা। এ ক্ষেত্রে সপ্তম বেতন স্কেলে বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা না কমানো; সিনিয়র সচিবদের গ্রেডে সিলেকশন গ্রেডপ্রাপ্ত অধ্যাপকদের একটি অংশকে শতকরা হারে উন্নীত করা এবং বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের প্রারম্ভিক বেতন অষ্টম গ্রেড থেকে শুরু করা। কিন্তু প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে সিলেকশন গ্রেড ছাড়া অন্য কোনো দাবি পূরণের লক্ষণ নেই বলে জানান শিক্ষক নেতারা।
১৭ ডিসেম্বর রাতে ফেডারেশনের নেতারা মন্ত্রিসভা কমিটির সদস্য আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। ২২ ডিসেম্বর ঢাবি শিক্ষক সমিতির সভা থেকে সরকারকে এক সপ্তাহের আলটিমেটাম দেয়া হয়। ২৪ ডিসেম্বর ঢাবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সভায় অর্থমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করা হয়। এ ছাড়া অষ্টম পে-স্কেল সংশোধনের পর আবার গেজেট প্রকাশের দাবি জানিয়ে ২৪ ডিসেম্বর অর্থমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভা কমিটির সাত সদস্যকেও চিঠি দেন শিক্ষক নেতারা। ২৭ ডিসেম্বর সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি সাধারণ সভা করে। এর আগে এক সংবাদ সম্মেলনে দাবি আদায় না হলে অধ্যাপক ফরিদউদ্দিন আহমেদ বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ‘কমপ্লিটলি শাটডাউন’ (পুরোপুরি বন্ধ) করার হুমকি দিয়েছিলেন।




