অনুষ্ঠানে গভর্নর বলেন, আমাদের পেমেন্ট সিস্টেমে বড় ধরনের বিপ্লব ঘটে গেছে। সাড়ে পাঁচ বছর আগে যখন আমি বাংলাদেশ ব্যাংকের দায়িত্ব নিয়ে ছিলাম তখন এটি কল্পনাও করা সম্ভব ছিলো না। সে সময় মানুষ সেটেলমেন্টের জন্য বস্তা ভরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে চেক নিয়ে আসতো। এখন এই অবস্থার পরিবর্তন হয়ে গেছে। এরইমধ্যে ২৯টি ব্যাংক ন্যাশনাল পেমেন্ট সিস্টেমে যুক্ত হয়েছে। অন্য ব্যাংকগুলোকেও ন্যাশনাল পেমেন্ট সিস্টেমের সঙ্গে সংযুক্ত করা হবে। যারা মোবাইল ব্যাংকিং খুলেছে তাদেরকেও ন্যাশনাল পেমেন্ট সিস্টেমে নিয়ে আসা হবে।
গভর্নর বলেন, ডিজিটালাইজেশন একটি চলমান প্রক্রিয়া। এখানে প্রতিনিয়ত আপডেট থাকতে হয়। আমরা সিএমএ দ্বিতীয় পদক্ষেপ নেবো। তিনি আরও বলেন, উন্নয়নের জন্য মনের পরিবর্তন হতে হবে। বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের মনের বড় পরিবর্তন হয়েছে। কর্মকর্তারা সবার সঙ্গে খোলা মনে কথা বলছেন। এ পরিবর্তন অব্যাহত থাকলে খুব শিগগির এর সুফল পাওয়া যাবে। চুক্তি সই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সিএমএ স্মল সিসটেম এবি’র এমডি অ্যালেক্স, বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর আবুল কাশেম, নাজনিন সুলতানা, আবু হেনা রাজি হাসান প্রমুখ।




