রবিবার, অক্টোবর ২৫, ২০২৬
প্রচ্ছদরাজনীতিশাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের দুই পক্ষে সংঘর্ষ, আহত ৭

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের দুই পক্ষে সংঘর্ষ, আহত ৭

সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় ক্যাম্পাসে কয়েকটি গুলি ও ককটেল বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। সংঘর্ষে অন্তত সাতজন আহত হয়েছেন। ক্যাম্পাসে উত্তেজনা বিরাজ করছে। প্রত্যক্ষদর্শী, পুলিশ ও ক্যাম্পাস সূত্র জানায়, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সঞ্জীবন চক্রবর্তী ও সহসভাপতি অঞ্জন রায়ের পক্ষের মধ্যে এই সংঘর্ষ হয়েছে। পরিস্থিতি শান্ত করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও পুলিশ চেষ্টা চালাচ্ছে। সংঘর্ষে সভাপতি পক্ষের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন সাধারণ সম্পাদক ইমরান খানের পক্ষের কর্মীরা। সহসভাপতি পক্ষের সঙ্গে আছেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য উত্তম কুমার দাসের সমর্থকেরা। সংঘর্ষে কমপক্ষে সাতজন আহত হয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্র থেকে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। এঁদের মধ্যে অন্তত তিনজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আহতদের মধ্যে সহসভাপতি অঞ্জন রায়ও রয়েছেন। ক্যাম্পাস সূত্র জানায়, সকাল ১০টার দিকে সঞ্জীবন চক্রবর্তীর নেতৃত্বে তাঁর অনুসারী নেতা-কর্মীরা শাহ পরান ও বঙ্গবন্ধু হলে যান। তাঁরা হল থেকে অঞ্জন রায়ের পক্ষের   তা-কর্মীদের বের করে দেন। এরপর অঞ্জন রায়ের পক্ষের কর্মীরা সংগঠিত হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুললে সংঘর্ষ শুরু হয়। একপর্যায়ে এই সংঘর্ষ ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষ চলাকালে ক্যাম্পাসে কয়েকটি গুলি ও ৮-১০টি ককটেল বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়।  পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে আসেন। এরপর সভাপতি পক্ষের নেতা-কর্মীরা ক্যাম্পাস ছেড়ে হলের দিকে চলে যান। ক্যাম্পাসে অবস্থান নেন সহসভাপতি পক্ষের নেতা-কর্মীরা।

দুপুর পৌনে ১২টার দিকে উভয় পক্ষের মধ্যে আবারও উত্তেজনা দেখা দেয়। সভাপতি পক্ষ হলের দিকে এবং সহসভাপতির পক্ষ ক্যাম্পাসের দিক দিয়ে পরস্পরের মুখোমুখি অবস্থান নেয়। দুই পক্ষের মধ্যে অবস্থান নেয় পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা। দুপুর ১২টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর হিমাদ্রী শেখর রায় বলেন, ‘দুই পক্ষ মুখোমুখি অবস্থান নিয়েছে। আমরা উভয় পক্ষকে শান্ত করা চেষ্টা করছি। তাদের আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছি।’ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সঞ্জীবন চক্রবর্তী বলেন, ‘আমরা আমাদের কর্মীদের হলে তুলে দিতে যাই। এ সময় প্রতিপক্ষ আমাদের ওপর হামলা করে। এরপর সংঘর্ষ বাধে।’ ঘটনার বিষয়ে সহসভাপতি অঞ্জন রায় বা তাঁর পক্ষের কোনো নেতার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ