গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসনে উপ-নির্বাচনে গোপন কক্ষে একজনের পরির্বতে আরেকজন ভোট দেওয়াসহ নানা অনিয়ম- জালিয়াতির ঘটনায় ৪৩ ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। বুধবার (১২ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন রিটার্নিং অফিসার ও রাজশাহী আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম।
এর আগে বুধবার সকাল ৮টা থেকে শুরু হয় ভোটগ্রহণ। তা বিরতিহীন চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। এদিকে, সকাল থেকেই ভোট দিতে কেন্দ্রে আসেন ভোটাররা। প্রতিটি কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি কম ছিল। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিতি বাড়তে থাকে।
অন্যদিকে জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রার্থী গোলাম শহীদ রনজু অভিযোগ করেন, ভোটগ্রহণ শুরুর পর পরই আওয়ামী লীগের লোকজন ভোটকক্ষ থেকে এজেন্ট বের করে দেওয়াসহ ভোটারদের আঙুলের ছাপ নিয়ে নৌকা মার্কায় ভোট দিতে শুরু করে। তার কর্মী-সমর্থকদের কেন্দ্র থেকে তাড়িয়ে দেওয়াসহ নানা অভিযোগও তোলেন তিনি। যদিও আগে থেকেই সুষ্ঠ ভোট নিয়ে শঙ্কাসহ নানা অভিযোগ করে আসছিল জাতীয় পার্টিসহ প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীরা।
গাইবান্ধা-৫ আসনটি ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলা নিয়ে গঠিত। উপ-নির্বাচনে সাঘাটা উপজেলায় ৮৮টি এবং ফুলছড়ি উপজেলায় ৫৭টিসহ মোট ১৪৫টি কেন্দ্রে ৯৫২টি বুথে ভোটগ্রহণ চলছে। এরমধ্যে সাঘাটা উপজেলার ১০টি ও ফুলছড়ি উপজেলার সাতটিসহ মোট ১৭টি ইউনিয়ন নিয়ে মিলে ৩ লাখ ৩৯ হাজার ৭৪৩ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৬৯ হাজার ৫৮৩ জন এবং নারী ভোটার ১ লাখ ৭০ হাজার ১৬০ জন।




