ন্যাশনাল ডেস্কঃ (বিডি সময় ২৪ ডটকম)
সারাদেশে পুলিশের সঙ্গে ১৮ দল নেতাকর্মীদের সংঘর্ষে কমপক্ষে আটজন নিহত ও শতাধিক আহত হয়েছে। শুক্রবার কক্সবাজারের চকোরিয়া, চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ, নীলফামারীর জলঢাকা ও সাতক্ষীরার শ্যামনগরে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে। প্রতিনিধিদের পাঠানো সংবাদ-
বিএনপি কর্মী নিহতের ঘটনায় পুরো চকরিয়া বাজারে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে বিজিবি-বিএনপি নেতাকর্মীরা মুখোমুখি অবস্থান নেয়। এসময় মিছিলকারীদের ওপর গুলি চালায় বিজিবি। এতে অন্তত অর্ধশত লোকজন গুলিবিদ্ধ হয়। চকরিয়া পৌর বিএনপির সভাপতি হায়দার আলী জানান, নিহতদের লাশ বিজিবি নিয়ে গেছে।
নিহতরা হলেন- পাইকপাড়া ইউনিয়নের ওয়ার্ড যুবদল সভাপতি জাঙ্গাগীর (৩২), বারপাইকা গ্রামের যুবদল নেতা আরিফ(২৩) ও গাজীপুর গ্রামের যুবদল নেতা শরীফ(২৫)। তবে নিহতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা কর হচ্ছে।
আহতদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্পাদক আবু সাহেদ সরকার, শরীফ, আরিফসহ বেশ কয়েকজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এদিকে এ ঘটনার প্রতিবাদে শনিবার সকাল সন্ধ্যা হরতাল ডেকেছে স্থানীয় বিএনপি।
এদের মধ্যে সাত জনকে রমেক হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা মোসলেমকে মৃত ঘোষণা করেন। এ সময় শিবির কর্মীরা মোসলেমের লাশ নিয়ে দ্রুত হাসপাতাল ত্যাগ করে চলে যায়।
গুলিবিদ্ধ অপর ৬ শিবির কর্মী এনামুল, রাবু, আশরাফুল, ওয়াহেদুল ইসলাম, স্বপন ও রবিউল ইসলাম বর্তমানে রামেক হাসপাতালের ১৫ নম্বর সার্জিকেল ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছে।
সাতক্ষীরা: শুক্রবার বিকালে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে আওয়ামী লীগের হামলায় এক কর্মী নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে জামায়াতে ইসলামী। শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার পূর্বকাশিমারি বাজার এলাকায় ১৮ দলের মিছিলে আওয়ামী লীগ হামলায় ওই কর্মী মারা যায় বলে জানিয়েছে জামায়াত।
উপজেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক আবদুল জলিল জানান, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে মিছিল বের করে কাশিমারি ইউনিয়ন ১৮ দল। মিছিলটি পূর্বকাশিমারি বাজার এলাকায় পৌঁছলে স্থানীয় আওয়ামী লীগ সভাপতি আবু হোসেন ও সবুর মোল্লার নেতৃত্বে একটি গ্রুপ ১৮ দলের মিছিলে হামলা চালায়। প্রতিপক্ষের ছোড়া ইটের আঘাতে ঘটনাস্থলেই মারা যান জামায়াত কর্মী শফিকুল।
তবে স্থানীয় আওয়ামী লীগ সভাপতি আবু হোসেন দাবি করেন, আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে কোনো হামলা করা হয়নি। স্ট্রোক করে একজন মারা গেছে শুনেছি।




