ব্রেকিং নিউজ

চট্টগ্রামে ঘর পাবে ২১শ হতদরিদ্র পরিবার

মুজিব বর্ষে চট্টগ্রামে দুই পর্যায়ে ২১শ হতদরিদ্রকে ঘর দেবে সরকার। প্রথম পর্যায়ে ৪৬৮টি ঘর প্রদান করা হয়েছে। আরও ৯৭৬টি ঘর প্রস্তুত করা হয়েছে। সরকারের উপহারের এই ঘরগুলোর নির্মাণ কাজ দ্রুত শেষ করার তাগিদ দিয়েছে সরকার। এরপর দ্বিতীয় পর্যায়ে আরও ৬৪৯টি ঘর নির্মাণ করা হবে। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন কার্যালয় জানায়, মুজিব বর্ষ উপলক্ষে সরকার হতদরিদ্রদের মাঝে সেমিপাকা ঘর উপহার দিচ্ছে। গত ফেব্রুয়ারিতে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ৪৬৮টি ঘর বুঝিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুত ঘরহীন মানুষকে ঘর তৈরি করে দিচ্ছেন বলে জানান এক অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী মুজিববর্ষ পালন উপলক্ষে এসব ঘর প্রদান করছে সরকার। ভূমিহীন ও গৃহহীন মানুষের মধ্যে এসব ঘর প্রদান করা হবে। সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে এসব ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দুই শতক জায়গার উপর নির্মিত ঘরে থাকবে দুটি রুম, একটি করিডোর, একটি বাথরুম ও একটি রান্নাঘর।  জেলা প্রশাসন কার্যালয়ে তথ্য অনুযায়ী, প্রথম পর্যায়ে চট্টগ্রামে ১৪৪৪টি ঘর নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি ঘরে ব্যয় ধরা হয়েছে এক লাখ ৭১ হাজার টাকা। ইতিমধ্যেই ৪৬৮টি ঘর প্রদান করা হয়েছে। অবশিষ্ট ৯৭৬টি ঘরের নির্মাণ কাজ প্রায় শেষ।

চলতি মাসের মধ্যেই নির্মাণ কাজ শেষ করার তাগিদ দিয়েছে জেলা প্রশাসন। দেখা যায়, প্রথম পর্যায়ে পটিয়া উপজেলায় দুইশ ঘর প্রদান করা হবে। কর্ণফুলী উপজেলায় ২৫টি, চন্দনাইশে ২৯টি, সাতকানিয়ায় ৩০টি, লোহাগাড়ায় ৩৮টি, বাঁশখালীতে ৪৭টি, ফটিকছড়িতে ৬শ, আনোয়ারায় ১৫টি, মিরসরাইয়ে ৫০টি, সীতাকু-ে ২০টি, হাটহাজারীতে ১৫টি, রাউজানে ২৪০টি, বোয়ালখালীতে ২০টি, রাঙ্গুনিয়ায় ১১৫টি। সন্দ্বীপে ৫০টি ঘর নির্মাণের কথা রয়েছে। তবে এখনো নির্মিত হয়নি।

জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, দেশের একটি মানুষও গৃহহীন থাকবেন না। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে এই প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করছি। জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, উপকারভোগীদের মধ্যে যাদের জমি আছে, তারা শুধু ঘর পাবে। যাদের জমি নেই, তারা ২ শতাংশ জমি পাবে।

প্রথম পর্যায়ের ঘর প্রদানের পর শুরু হবে দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ। দ্বিতীয় পর্যায়ে ৬৪৯টি ঘর প্রদান করা হবে। ঘরগুলো নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে এক লাখ ৯১ হাজার টাকা। এতে দেখা যায়, পটিয়া উপজেলায় ৩০টি, কর্ণফুলী উপজেলায় ৫টি, চন্দনাইশে ২৭টি, সাতকানিয়ায় ১০টি, লোহাগাড়ায় ১৫০টি, বাঁশখালীতে ১৪টি, আনোয়ারায় ৫০টি, মিরসরাইয়ে ২৫টি, সীতাকু-ে ১০টি, হাটহাজারীতে ১০টি, রাউজানে ২৪৮টি, বোয়ালখালীতে ২০টি, রাঙ্গুনিয়ায় ৫০টি। দ্বিতীয় পর্যায়ে ফটিকছড়ি ও সন্দ্বীপে ঘর বরাদ্দ পায়নি।

About bdsomoy