বেআইনভাবে গ্রাহকের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন ও প্রতারণার দায়ে এপিক প্রপার্টিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক’সহ ৪ (চার) জনের বিরুদ্ধে আদালত সমন জারি করেছেন। ২২ অক্টোবর সিনিয়র মহানগর হাকিম শফিউদ্দিন অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়ে সমন জারির নির্দেশ দেন। অভিযুক্তরা হলেন এপিকের চেয়ারম্যান এসএম লোকমান কবির, ব্যবস্থাপনা পরিচালক এসএম আবু সুফিয়ান, পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন ও প্রকল্প পরিচালক মো. সোলায়মান।
বাদিপক্ষের আইনজীবী মোস্তফা মোহাম্মদ এমরান বলেন, অন্যায়ভাবে গ্রাহকের সাথে প্রতারণা এবং সেবা থেকে বঞ্চিত করার দায়ে এপিকের চেয়ারম্যান এসএম লোকমান কবির, ব্যবস্থাপনা পরিচালক এসএম আবু সুফিয়ান, পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন ও প্রকল্প পরিচালক মো. সোলায়মানের বিরুদ্ধে আদালত সমন জারি করেছেন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, নগরীর পাঁচলাইশ এলাকার চমেক হাসপাতাল গেটের বিপরীত পাশে এপিক ডিভাইন থেকে মো. শওকত আলম ২০১২ সালে ৩১ নম্বর দোকানটি ক্রয় করেন। ২০১৫ সালের ১৭ অক্টোবর অভিযুক্তরা বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। এরপর ২০১৬ সালের ৩ জানুয়ারি বিদ্যুতের সংযোগের জন্য লিগ্যাল নোটিস দেয়া হয়। নোটিস গ্রহণ করার পরও অভিযুক্তরা বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে অস্বীকার করায় রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা আইনমতে এই বছর ৩ সেপ্টেম্বর অভিযুক্তদের সালিশি ট্রাইবুনাল গঠনের জন্য প্রাপ্তিস্বীকারপত্র’সহ রেজিস্ট্রার্ড ডাকযোগে নোটিস পাঠানো হয়। নোটিস গ্রহণের পরও অভিযুক্তরা বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে অস্বীকার করায় আজ সোমবার রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন আইনের ২১ ও ২৭ ধারায় অভিযোগ এনে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। বাদির জবানবন্দি গ্রহণ করে আদালত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সমন জারির নির্দেশ দেন।
উল্লেখ্য, একই ভবনের ফাতেমা ফার্মেসির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়ায় ওই দোকানের মালিক গত বছর ২৩ মে সিএমএম আদালতে সিআর২৯৩/২০১৭ (পাঁচলাইশ) মামলা দায়ের করেন। বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশে আসামিরা চলতি বছরের ১৫ মার্চ বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদানে বাধ্য হন।




