রবিবার, অক্টোবর ২৫, ২০২৬
প্রচ্ছদটপখালেদাকে বিএসএমএমইউতে নেওয়া হবে দুপুরে

খালেদাকে বিএসএমএমইউতে নেওয়া হবে দুপুরে

কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসার জন্য একটি কেবিন তৈরি রাখা হয়েছে। ০৬ অক্টোবর দুপুরে পরে তাকে সেখানে নিয়ে যাওয়ার কথা রয়েছে। বিএসএমএমইউ’র একটি সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

এদিকে, পুরান ঢাকার পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে খালেদা জিয়ার তিনটি লাগেজ ও হ্যান্ডবেগ নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এসব জিনিস নিয়ে যান বিএনপি চেয়ারপারসনের বাসার কেয়ারটেকার মাসুদ ও ড্রাইভার জলিল। ০৫ অক্টোবর রাতে লাগেজগুলো কারাগারে দিয়ে যাওয়া হয়। তবে লাগেজগুলো কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে সে বিষয়ে কোনো তথ্য মেলেনি।

অন্যদিকে জেল সুপার ইকবাল কবির চৌধুরী বেলা ১১টার দিকে জেলখানার ভেতরে প্রবেশ করেন। এর কিছু সময় পরই কয়েকজন নারী কারারক্ষীকে কারাগারের ভেতরে প্রবেশ করতে দেখা যায়। খালেদাকে বিএসএমএমইউ-তে দ্রুত চিকিৎসা এবং ভর্তির জন্য ৫ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠনে হাইকোর্টের নির্দেশের কপি কারাগারে পৌঁছে। যা পৌঁছে বিএসএমইউতেও।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় পাঁচ বছর কারাদণ্ড পেয়ে গত ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে পুরান ঢাকার পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি রয়েছেন খালেদা। এর মধ্যে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলাসহ আরও বেশ ক’টি মামলায় তার বিচারকার্য চলছে। খালেদা জিয়া অসুস্থ দাবি করে বারবার বিএনপির পক্ষ থেকে তার বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসা দাবি করা হচ্ছে।

খালেদার স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য একটি বিশেষ বোর্ড গঠন করার নির্দেশনাসহ তার চিকিৎসা সেবা সংক্রান্ত যাবতীয় নথিপত্র দাখিলের নির্দেশনা চেয়ে গত ৯ সেপ্টেম্বর একটি রিট করা হয়। ওই আবেদনের ওপরই বৃহস্পতিবার আদালত আদেশটি দেন।

এর মধ্যে আবার গত ১৫ সেপ্টেম্বর খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় গঠিত পাঁচ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে গিয়ে তার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে। পরদিন ১৬ সেপ্টেম্বর সে স্বাস্থ্য পরীক্ষার প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। যেখানে স্বাস্থ্যগত পরিস্থিতি বিবেচনায় খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে রেখে চিকিৎসা দেওয়ার মত দেয় মেডিকেল বোর্ড। তবে যে হাসপাতালে সব ধরনের চিকিৎসা সুবিধা রয়েছে সে হাসপাতালের কথা সুপারিশ করা হয়। সে বিবেচনায় বিএসএমএমইউ হাসপাতালের কথাই উল্লেখ করা হয় প্রতিবেদনে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ