রবিবার, আগস্ট ১৬, ২০২৬
প্রচ্ছদআরো খবর......প্রধানমন্ত্রীর কাছে আ’লীগের ৫০ এমপি-মন্ত্রীর গোয়েন্দা রিপোর্ট

প্রধানমন্ত্রীর কাছে আ’লীগের ৫০ এমপি-মন্ত্রীর গোয়েন্দা রিপোর্ট

সাদ আল আলম (বিডিসময়২৪ডটকম)

প্রধানমন্ত্রীর কাছে আ’লীগের ৫০ এমপি-মন্ত্রীর গোয়েন্দা রিপোর ভোটারদের সুনজরে নেই আওয়ামী লীগের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীসহ অর্ধশত সাংসদ। এদের বিরুদ্ধে নানা ধরনের অপকর্মের পাশাপাশি উন্নয়ন কর্মকান্ডে জনবিচ্ছিন্ন থাকার অভিযোগ রয়েছে। তাই আগামী জাতীয় নির্বাচনে তাদের বাদ দিয়েই প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করার দাবি জানিয়েছেন তৃণমূলের নেতাকর্মীরা।

তবে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, মনোনয়ন দেয়ার ক্ষেত্রে দলের বিতর্কিত ও সমালোচিত মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী-সাংসদকে বাদ দেয়া হলে প্রার্থী সঙ্কটে পড়বে আওয়ামী লীগ। এ সুযোগে বিরোধী শিবিরে ভোটের পাল্লা ভারি হবে। তাই অনেকটা নিরুপায় হয়েই এদের একটি বড় অংশকে আওয়ামী লীগ মনোনয়ন দেবে। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ নেতারা বিতর্কিত হলেও তারা মনোনয়ন পাবেন।

যদিও দলের প্রথম সারির একজন নেতার দাবি, প্রার্থী নির্বাচনের দায়িত্ব দলীয় সভানেত্রী তৃণমূল নেতাদের হাতে তুলে দিয়েছেন। তাদের বিচারে অযোগ্য কাউকেই মনোনয়ন দেয়া হবে না। তবে চূড়ান্ত তালিকা তৈরির আগে উত্থাপিত সব অভিযোগসহ সার্বিক বিষয়াদি দলের কেন্দ্র থেকে পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে যাচাই করা হবে। বিশেষ করে যে সব আসনে যোগ্য বিকল্প প্রার্থীর সঙ্কট রয়েছে সেখানে স্থানীয় নেতাকর্মী ও জনগণের সঙ্গে সৃষ্ট দূরত্ব দ্রুত ঘুচিয়ে আনার চেষ্টা চালাবে। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, যেসব মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ও সাংসদ ভোটারদের সুনজরে নেই তাদের তালিকা তৃণমূল নেতাকর্মীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করার পর একাধিক গোয়েন্দা সংস্থাকে দিয়ে তা যাচাই করা হয়েছে।

অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে গোয়েন্দাদের পর্যবেক্ষণ মিলে গেছে। দলের নীতি-নির্ধারক পর্যায়ের একজন নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে আজকের বাংলাদেশকে বলেন, ভোটারদের গুড লিস্টে না থাকা জনপ্রতিনিধিদের সংখ্যা আশির অধিক। তবে এর মধ্যে ৫৫ জনের অবস্থা খুবই নাজুক। তাদের বেশির ভাগই আগামী নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পাচ্ছেন না। আবার যারা মনোনয়ন পাবেন নির্বাচনে জয় লাভ করা তাদের পক্ষে কঠিন হবে। এ কারণে আগে থেকেই দলীয় সাংসদদের আগাম পূর্বাভাস দিয়েছেন দলীয় সভানেত্রী।

দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানায়, স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. আ ফ ম রুহুল হকের আসনকে পরবর্তী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বলা হয়েছে সরকারের একটি গোয়েন্দা সংস্থার জরিপ প্রতিবেদনে। এতে বলা হয়, গত সাড়ে চার বছরে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে স্থানীয় আওয়ামী লীগের অধিকাংশ নেতাকর্মীর বিশাল দূরত্ব তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি মন্ত্রীর কর্মকান্ড সেই অর্থে ভোটারদের মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারেনি। আগামী নির্বাচনে এর প্রভাব পড়বে। জাতীয় সংসদের উপনেতা সাজেদা চৌধুরীর আসনকেও আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের জন্য প্রতিকূল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

ফরিদপুর-২ (নগরকান্দা-সালথা) আসনে আওয়ামী লীগের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নেতাকর্মী বিরূপ হয়ে আছেন বলে মাঠপর্যায় থেকে তথ্য পাওয়া গেছে। জানা গেছে, জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মেজর (অব.) আ ত ম হালিমসহ প্রভাবশালী আরো কয়েকজন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা আগামী নির্বাচনে বড় ফ্যাক্টর হয়ে উঠবেন। আর তারা একযোগে সাজেদা চৌধুরীর বিরোধিতায় নামলে ফলাফল অনুকূলে আসবে না বলে একটি গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শাহজাহান মিয়ার বিরুদ্ধে নেতিবাচক রিপোর্ট দেয়া হয়েছে। সূত্রগুলো জানায়, পটুয়াখালী-১ নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী পুত্রদের অযাচিত হস্তক্ষেপ, স্থানীয় আওয়ামী লীগে বিভক্তি ইতোমধ্যেই ভোটারদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। পরবর্তী নির্বাচনে এর প্রভাব পড়বে।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তফা ফারুক মোহাম্মদের অবস্থানও নির্বাচনী এলাকায় নড়বড়ে বলে জানা গেছে। তিনি সেই অর্থে আমজনতার মন জয় করতে পারেননি। এলাকার উন্নয়নকে এগিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রেও তার ভূমিকা আরো যথার্থ হতে পারত বলে ভোটারদের বেশিরভাগ মনে করেন। সব মিলিয়ে ভোটারদের মধ্যে তার সম্পর্কে খুব বেশি ইতিবাচক ধারণা গড়ে ওঠেনি। ফলে নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়া তার জন্য কষ্টকর হবে বলে তৃণমূল নেতারা অভিযোগ করেছেন। মৎস ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রী আবদুল লতিফ বিশ্বাসও ভোটারদের কাছ থেকে অনেকটা দূরে সরে গেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানা গেছে, তার এপিএস ও কিছু ঘনিষ্ঠ সহচরের আর্থিকভাবে ফুলেফেঁপে ওঠাকে এলাকার ভোটাররা নেতিবাচকভাবে নিচ্ছেন। আগামী ভোটে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

শ্রম ও জনশক্তি মন্ত্রী রাজিউদ্দীন রাজুও ঝুঁকির মধ্যে আছেন। নরসিংদী-৫ (রায়পুরা) আসনে নরসিংদী পৌরসভার প্রয়াত মেয়র লোকমান হোসেনের অনুগামীরা আগামী নির্বাচনে রাজিউদ্দীন রাজুর প্রকাশ্য বিরোধিতায় নামবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন। সব মিলিয়ে রাজিউদ্দীন রাজুর এক ধরনের নেতিবাচক ভাবমূর্তি তৈরি হয়েছে। শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মন্নুজান সুফিয়ানের পরবর্তী নির্বাচনী ভাগ্য সুপ্রসন্ন হওয়ার সম্ভাবনা কম বলে স্থানীয় নেতাকর্মীরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। খুলনা-৩ আসনে পরবর্তী নির্বাচনে প্রার্থী হলে প্রতিমন্ত্রীকে ভোটারদের নানা নেতিবাচক প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হবে। কিছু আত্মীয়-স্বজনের কর্মকা-ও প্রতিমন্ত্রীকে ভোগাতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা বলেছেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রী দীপু মনি, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী মান্নান খান, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আহাদ আলী সরকার, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মোতাহার হোসেন, শিল্প প্রতিমন্ত্রী ওমর ফারুক চৌধুরীর অবস্থাও নড়বড়ে বলে গোয়েন্দা সংস্থার মাঠ জরিপ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। পটুয়াখালী-৩ আসনের সাংসদ গোলাম মাওলা রনির বিরুদ্ধে সাংবাদিক মারধরের পাশাপাশি গলাচিপা-দশমিনার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে টেন্ডারবাজি, টিআর-কাবিখাসহ বিভিন্ন সামাজিক কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ রয়েছে।

ভোলা-৩ আসনের এমপি নুরুন্নবী চৌধুরী শাওনের বিরুদ্ধে যুবলীগ নেতা ইব্রাহিমকে খুনসহ বিভিন্ন দুর্নীতি-অপকর্মে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। দলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গেও তার তেমন যোগাযোগ নেই। উন্নয়ন কর্মকান্ড তৎপর না থাকায় জনগণও তার ওপর অসন্তষ্ট বলে জানিয়েছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা। কক্সবাজারের একটি আসন থেকে নির্বাচিত এমপি আবদুর রহমান বদির বিরুদ্ধেও রয়েছে নানা অভিযোগ। সরকারি কর্মকর্তাকে মারধর, শিক্ষককে প্রহারসহ বিভিন্ন অভিযোগে তার ইমেজ স্থানীয় জনগণের পাশাপাশি দলের কাছেও ভালো নয়। গোয়েন্দা রিপোর্টেও বদির বিষয়ে অভিযোগ এসেছে। নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এমপি সারাহ বেগম কবরী এবং স্থানীয় সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের মধ্যে বিরোধের কারণে একাধিকবার আলোচনায় এসেছেন সাবেক এই অভিনেত্রী। গত বছর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে শামীম ওসমানের সঙ্গে তার উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় মিডিয়ায় প্রচারের পর ব্যাপক আলোচনা হয় দলীয় মহলেই।

ঢাকার আরেক নারী এমপি অ্যাডভোকেট সানজিদা খানমের আমল নামা নিয়েও অসন্তুষ্ট দলের হাইকমান্ড। কিছুদিন আগে স্থানীয় আওয়ামী লীগের সভায় দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় দলের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করেন। ওই সভায় তিনি প্রধান অতিথি ছিলেন। এ ছাড়া স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের কাছ এমপি সানজিদার বিরুদ্ধে দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে বেশ কিছু অভিযোগও পাঠানো হয়েছে। ঢাকার আরেক এমপি হাবিবুর রহমান মোল্লার বিরুদ্ধে স্থানীয় নেতাকর্মীদের অভিযোগ রয়েছে। নির্বাচিত হওয়ার পর তার কর্মকান্ড তিনি দলের হাইকমান্ডকে সন্তুষ্ট করতে পারেননি।

ময়মনসিংহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মতিউর রহমানের নামে এলাকায় সরকারি জমি দখল করে নিজের নামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়াসহ নানা অভিযোগ ওঠায় স্থানীয় নেতাকর্মীরা বিব্রতকর অবস্থায় পড়েন। সুনামগঞ্জ-১ আসনের এমপি মোয়াজ্জেম হোসেন রতনের বিরুদ্ধে দলের স্থানীয় নেতাকর্মীরা অভিযোগ করেছেন কেন্দ্রে। সেখানে জলমহাল দখলের সঙ্গে তার লোকজনের জড়িত থাকার অভিযোগ করা হয়েছে। স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ না রাখা এবং অহেতুক প্রভাব খাটানোর অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

এদিকে আড়িয়াল বিলে বিমানবন্দর নির্মাণকে কেন্দ্র করে কপাল পুড়তে পারে স্থানীয় এমপি সুকুমার রঞ্জন ঘোষের। শুরুর দিকে এলাকায় নিজের অবস্থান ভালো থাকলেও বিমানবন্দর নির্মাণের উদ্যোগের পর তিনি অনেকটাই বেকায়দায় আছেন। এই আসনে দলের সাফল্য নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন খোদ দলের নেতারাই। একই ভাবে সদর আসনের এম ইদ্রিস আলীর বিষয়ে দলের হাইকমান্ডের কাছে অভিযোগ দিয়েছেন স্থানীয় নেতারা। এই এমপির সঙ্গে স্থানীয় নেতাদের দ্বন্দ্বের কারণে এলাকায় তার অবস্থান ভালো নয়। পাবনার জেলা প্রশাসনের অধীনে তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগ প্রক্রিয়ায় জড়িয়ে সমালোচিত হওয়া স্থানীয় এমপি গোলাম ফারুক খন্দকার প্রিন্স-এর আমলনামাও ভালো মনে করছে না দলীয় হাইকমান্ড।

এ ছাড়া গাইবান্ধা-২ আসনের মাহাবুব আরা গিনি, গাইবান্ধা-৪ আসনের ইঞ্জিনিয়ার মনোয়ার হোসেন চৌধুরী এবং গাইবান্ধা-৫ আসনের অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া, নড়াইল-২ আসনের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এস কে আবু বাকের, কুষ্টিয়া-৪ এর সুলতানা তরুণ, সাতক্ষীরা-১ আসনের প্রকৌশলী শেখ মুজিবুর রহমানের অবস্থা এলাকায় ভালো নয়। তাদের বিরুদ্ধেও স্থানীয় পর্যায় থেকে রিপোর্ট দেয়া হয়েছে কেন্দ্রে। দলীয় পর্যবেক্ষণ, তৃণমূলের অভিযোগ ও গোয়েন্দা পর্যবেক্ষণে আরো যেসব এমপির বিরুদ্ধে নেতিবাচক রিপোর্ট এসেছে তারা হলেন চট্টগ্রাম-১-এর ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, চট্টগ্রাম-৩-এর এবিএম আবুল কাশেম, চট্টগ্রাম-৮-এর নুরুল ইসলাম বিএসসি, ঢাকা-১৬ আসনের ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লা,

চুয়াডাঙ্গা-১-এর সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার, যশোর-১-এর শেখ আফিল উদ্দিন, বরিশাল-২-এর মনিরুল ইসলাম মনির, নেত্রকোনা-১-এর মোশতাক আহমেদ রুহি, মানিকগঞ্জ-৩-এর জাহেদ মালেক স্বপন, নওগাঁ-৬-এর ইসরাফিল আলম, রাজশাহী-১-এর ওমর ফারুক চৌধুরী, নাটোর-৩-এর জুনাইদ আহমদ পলক, মেহেরপুর-১-র জয়নাল আবেদীন, যশোর-৫-এর খান টিপু সুলতান, যশোর-৬-এর আবদুল ওহাব, খুলনা-৬-এর সোহরাব আলী সানা, পটুয়াখালী-২-এর আ স ম ফিরোজ, ঢাকা-১৫-এর কামাল আহমেদ মজুমদার, ঢাকা-১৯-এর তালুকদার মো. তৌহিদ জং মুরাদ, নারায়ণগঞ্জ-৩-এর আবদুল্লাহ-আল-কায়সার ও সিলেট-২-এর শফিকুর রহমান চৌধুরী।

দলের সাংগঠনিক কর্মকান্ড তদারকি করছেন এমন একজন নেতা আজকের বাংলাদেশকে জানান, আওয়ামী লীগ জনগণের দল। জনগণকে দেয়া প্রতিশ্রুতি পালনে যে সব এমপি ভূমিকা রাখতে পারছেন না তাদের বিষয়ে দল ভিন্ন চিন্তা করবে। তিনি বলেন, দলীয় সভানেত্রী এমপিদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করছেন। নির্বাচনের আগে দলের সংসদীয় বোর্ডে অতীত পর্যালোচনা করেই মনোনয়নের বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেয়া হবে।

আওয়ামী লীগ সভাপতিমন্ডলীর সদস্য কাজী জাফরউল্লাহ এসব বিষয়ে আজকের বাংলাদেশকে বলেন, গোটা প্রতিবেদন তাদের হাতে নেই। তবে এসব বিষয় অনেকটা তাদের জানা। তৃণমূলের অনেক খবরই তাদের কাছে আছে। অনেক গুরুত্বপূর্ণ নেতার আসনের অবস্থা ভালো না এমন খবর আসছে। তৃণমূল নেতাদের মতামতের ভিত্তিতেই এসব ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ