বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে এই দুই সমিতির ডাকে ধর্মঘট শুরু হলে বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
এর আগে বুধবার দুপুরে বরিশাল মেট্রোপলিটন বিমান বন্দর থানা পুলিশ সড়ক দুর্ঘটনার পর শ্রমিক ইউনিয়নের একটি যাত্রীবাহী বাস আটক করলে জেলার অভ্যন্তরীণ রুটে ধর্মঘটের ডাক দেয় শ্রমিক ইউনিয়ন ও বাস মালিক সমিতির নেতারা। পরে পুলিশের কাছ থেকে ইতিবাচক কোনো সাড়া না পাওয়ায় দেশের সব রুটে বাস চলাচল বন্ধ করে দেয় তারা।
বরিশাল জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, অন্যায়ভাবে যাত্রীবাহী বাস আটকের প্রতিবাদে এ ধর্মঘট ডাকা হয়েছে। আটক বাস ছেড়ে না দিলে এবং হয়রানি বন্ধ না করলে অনিদিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট চলবে।
বরিশাল জেলা বাস মালিক সমিতির সভাপতি মো. আফতাব হোসেন জানান, দুর্ঘটনার পর শ্রমিক ইউনিয়ন নেতারা বাসটি ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। সংগঠনের বাস অন্যায়ভাবে আটক করায় সারাদেশে বাস চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, বুধবার বেলা ১২টার দিকে ভুরঘাটা থেকে বরিশালগামী শ্রমিক ইউনিয়নের একটি বাস পথিমধ্যে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের রহমতপুর সংলগ্ন রামপট্টি এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা জুম্মান পরিবহন নামে একটি ট্রাককে ধাক্কা দিয়ে পাশের খাদে ফেলে দেয়। এতে ৬ জন আহত হয়।
পরে বেপরোয়া গতিতে চালিয়ে দুর্ঘটনার দায়ে বিমান বন্দর থানা পুলিশ বাসটি আটক করে।




