শনিবার, অক্টোবর ২৪, ২০২৬
প্রচ্ছদচট্রগ্রাম প্রতিদিনপুরনো নকশাতেই হবে আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভার

পুরনো নকশাতেই হবে আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভার

পুরনো নকশাতেই মুরাদপুর-লালখানবাজার (আখতারুজ্জামান) ফ্লাইওভার নির্মাণ করা হবে। শনিবার নগরীর পেনিনসুলা হোটেলে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়েছে।  বৈঠকের সিদ্ধান্ত মতে, নকশা অনুযায়ী নগরীর ষোলশহর দুই নম্বরগেটে লুপলাইন এবং জিইসি মোড়ে চারটি র‌্যাম হবে। এসব র‌্যাম ব্যবহার করে মূল ফ্লাইওভারে উঠা-নামা করা যাবে। গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম, চুয়েট ভিসি জাহাঙ্গীর আলম, চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম, প্রকল্প পরিচালক মাহফুজুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম বলেন, ২০১০ সালে লুপলাইন এবং র‌্যাম রেখে যে নকশা করা হয়েছিল সেটিই চূড়ান্ত করা হয়েছে। এতে করে মন্ত্রালয় যে আপত্তি তুলেছিল তার অবসান হলো। তিনি বলেন, নকশায় ত্রুটি আছে এমন অভিযোগ তুলে মন্ত্রণালয় থেকে একটি টেকনিক্যাল কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটি প্রায় চারমাস ধরে সরেজমিন পরিদর্শন করে পুরনো নকশায় কাজ চালিয়ে যাওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দিয়েছে।আবদুচ ছালাম জানান, ২০১০ সালে র‌্যাম এবং ২০১৩ সালে লুপলাইনের ব্যবহার রেখে নকশা চূড়ান্ত করা হয়। এতে দুই নম্বরগেটে অক্সিজেন সড়ক থেকে মূল সড়কে যুক্ত হওয়ার জন্য দুটি লুপলাইন রাখা হয়েছে। অন্যদিকে নগরীর জিইসি মোড় থেকে লালখানবাজারে যাওয়া-আসার জন্য সড়কের দুই পাশে দুটি র‌্যাম এবং জিইসি মোড়ের উত্তর পাশে মুরাদপুর যাওয়া-আসার জন্য উভয় পাশে দুটি র‌্যাম ব্যবহার করা হবে। চট্টগ্রামের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, হঠাৎ করে মন্ত্রণালয় কেন আপত্তি তুললো বুঝলাম না। দুই নম্বরগেট থেকে লালখান বাজার অংশের কাজ প্রায় চারমাস থমকে ছিল।

২০১৩ সালের ১ অক্টোবর একনেক সভায় মুরাদপুর-লালখানবাজার ফ্লাইওভার প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়। চার লেন বিশিষ্ট ফ্লাইওভারের মোট দৈর্ঘ্য ৫ দশমিক ২ কিলোমিটার। এর নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৬২ কোটি ২১ লাখ ৫৯ হাজার টাকা। প্রকল্পের মেয়াদ ধরা হয়েছে ২০১৬ এর জুন পর্যন্ত।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ