বিচার বিভাগ নিয়ে ‘কুৎসা রটনামূলক’ উপসম্পাদকীয় প্রকাশের ব্যাখ্যা চেয়ে দৈনিক জনকণ্ঠের সম্পাদক ও প্রকাশক মোহাম্মদ আতিকউল্লাহ খান মাসুদ এবং নির্বাহী সম্পাদক স্বদেশ রায়ের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুলের শুনানি আগামী রোববার পর্যন্ত মুলতবি করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। ওই সময়ের মধ্যে তাঁদের জবাব দিতে হবে। সোমবার প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের চার সদস্যের বেঞ্চ এ আদেশ দেন। সকালে জনকণ্ঠের সম্পাদক ও নির্বাহী সম্পাদক আদালতে উপস্থিত হন। তাঁদের পক্ষে অ্যাডভোকেট অন রেকর্ড মো. সোয়েব খান জবাব দিতে তিন মাসের সময় চান। আদালত তা নাকচ করেন। আগামী রোববারের মধ্যে জবাব দাখিলের নির্দেশ দেন।
সোয়েব খান সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে সুপ্রিম কোর্টের অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে কর্মরত আছেন। অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম এ বিষয়টি আদালতের নজরে এনে বলেন, একজন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল এই মামলায় অ্যাডভোকেট অন রেকর্ড হতে পারেন না। আদালত এক সপ্তাহের মধ্যে তাঁকে অ্যাডভোকেট অন রেকর্ডের ক্ষমতা হস্তান্তর করার জন্য বলেন। এ সময় সোয়েব খান ক্ষমতা হস্তান্তর করতে রাজি হননি। আদালত তাঁকে এক আদেশে বলেন, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সোয়েব খানের অ্যাডভোকেট অন রেকর্ডের সনদ কেন বাতিল করা হবে না তা জানাতে হবে।
গত ২৯ জুলাই বিচার বিভাগ নিয়ে ‘কুৎসা রটনামূলক’ উপসম্পাদকীয় প্রকাশের ব্যাখ্যা চেয়ে জনকণ্ঠের সম্পাদক ও প্রকাশক মোহাম্মদ আতিকউল্লাহ খান মাসুদ এবং নির্বাহী সম্পাদক স্বদেশ রায়ের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। ৩ আগস্ট তাঁদের হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত। ১৬ জুলাই জনকণ্ঠের ষষ্ঠ পৃষ্ঠায় ‘সাকার পরিবারের তৎপরতা: পালাবার পথ কমে গেছে’ শিরোনামে একটি উপসম্পাদকীয় প্রকাশিত হয়। এই উপসম্পাদকীয়টির লেখক স্বদেশ রায়।




