সোমবার, অক্টোবর ২৬, ২০২৬
প্রচ্ছদজাতীয়সরকারি সুবিধাভোগীরা প্রভাব বিস্তার করলে আইনানুগ ব্যবস্থা

সরকারি সুবিধাভোগীরা প্রভাব বিস্তার করলে আইনানুগ ব্যবস্থা

সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মন্ত্রী, এমপি, স্পিকারসহ সরকারি সুবিধাভোগীরা প্রভাব বিস্তার করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বুধবার  নির্বাচন কমিশনার মো. শাহ নেওয়াজ তার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এ হুঁশিয়ারি দেন।

তিনি বলেন, যেহেতু মন্ত্রীরা বিভিন্ন পদে আছেন, তারা বিভিন্ন জায়গায় তাদের কাজকর্মে যেতে পারেন। তবে আচরণ বিধিতে যা রয়েছে, তাতে মন্ত্রী বা সমমর্যাদার কেউ কোনো নির্বাচনী কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবেন না। যদি তারা এই ধরনের কর্মকাণ্ডে অংশ নেন, তাহলে অবশ্যই সেটা আইন বিরোধী কাজ হবে। আচরণবিধি বিরোধী কাজ হবে। এ ধরনের কাজ করলে তিনি যেই হোক না কেন, তার বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা নেব।

শাহ নেওয়াজ বলেন, আচরণবিধি অনুযায়ী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী, স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, চিপ হুইপ, হুইপ, সরকারি সুবিধাভোগী ব্যক্তি বা তাদের সম পদমর্যাদার কেউ স্থানীয় সরকার নির্বাচনের কোনো কাজে অংশ নিতে পারবেন না। তারা নির্বাচনী কাজে অংশগ্রহণ করলে আচরণবিধি বহির্ভূত হিসেবে গণ্য করা হবে। আশা করি, তারা দায়িত্ববান ব্যক্তি, এই ধরনের কাজ তারা করবেন না, বলেন তিনি।

মন্ত্রী বা এমন পদমর্যাদার কোনো ব্যক্তির নির্বাচনী কাজে অংশ না নেওয়ার বিষয়ে ইসির নির্দেশনা রয়েছে জানিয়ে শাহ নেওয়াজ বলেন, তবে তারা নির্বাচনে প্রভাব বিস্তার হয় না, এমন কাজ করতে পারবেন। এতে আমরা বাধা দেব না। কিন্তু প্রভাব বিস্তার করে এমন কোনো কাজ করতে দেবো না। কেউ করলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেব।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচনে মন্ত্রীদের আচরণবিধি ভঙ্গের বিষয়ে তিনি বলেন, চসিক নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তা নিজে তদন্ত করে রিপোর্ট দিয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ পত্রিকায় এসেছে। সেটা তদন্ত করে তিনি দেখেছেন, মন্ত্রী ছিলেন, তবে সরাসরি কোনো নির্বাচনী কাজে তিনি অংশ নেননি। তাই আচরণবিধির সরাসরি লঙ্ঘন হয়নি। এছাড়া সবাইকে তিনি বলেছেন, যেন কোনো আচরবিধি লঙ্ঘন না হয়।

চসিক নির্বাচনে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর স্খানীয় একটি হোটেলে নির্বাচনী বৈঠক করেন। যা আচরণবিধি লঙ্ঘন বলে গণমাধ্যমে খবর আসে। এর ভিত্তিতে রিটার্নিং কর্মকর্তা আব্দুল বাতেন রোববার (০৫ এপ্রিল) তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ইসির সিদ্ধান্ত চেয়ে চিঠি দেন। ইসি ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২৮ এপ্রিল ঢাকা উত্তর, দক্ষিণ ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোটগ্রহণের তারিখ ধার্য আছে। ইতিমধ্যে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের কাজ শেষ হয়েছে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ৯ এপ্রিল। প্রতীক বরাদ্দ হবে ১০ এপ্রিল।

  • বিষয়:
  • top
আরও পড়ুন

সর্বশেষ