টঙ্গীর তুরাগতীরে দ্বিতীয় পর্বের বিশ্ব ইজতেমা শুক্রবার বাদ ফজর শুরু হয়েছে। ময়দানে দেশ-বিদেশের লাখো ধর্মপ্রাণ মুসল্লি অংশ নিয়েছেন। দ্বিতীয় পর্বে ইজতেমা চলবে তিন দিন। গতকাল বৃহস্পতিবার দুজন মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে। দুপুর দেড়টায় কিছু পরে জুমার নামাজের মধ্য দিয়ে ৫০তম বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় বা শেষ পর্বের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। জুমার নামাজে ইমামতি করছেন, ঢাকার কাকরাইল মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ জোবায়ের।
ইজতেমা ময়দানে ভারতের মাওলানা মো. ইসমাইল হোসেনের বয়ান বাংলায় তরজমা করেন বাংলাদেশের মাওলানা মো. নুরুর রহমান। বাংলার পাশাপাশি বিভিন্ন ভাষায় উর্দুর মূল বয়ান তরজমা করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার বাদ আসর থেকেই ময়দানে আসা মুসল্লিদের উদ্দেশে ঈমান, আমল ও আখলাকের প্রাক-বয়ান শুরু হয়। বিশ্ব ইজতেমার আয়োজক কমিটির মুরব্বি গিয়াস উদ্দিন জানান, ইজতেমার মুসল্লিদের জন্য সব রকমের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আজ দেশের বৃহত্তম জুমার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে।
দুই মুসল্লির মৃত্যু: ইজতেমার লাশের জিম্মাদার আদম আলী প্রথম আলোকে জানান, গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে পটুয়াখালীর মো. বিল্লাল হোসেন (৩০) মারা গেছেন। ওই দিন বিকেলে বগুড়ার শাজাহানপুর থানার আব্দুর রহমান (৬৫) মারা যান। এ নিয়ে টঙ্গীতে দ্বিতীয় দফায় আসা চার মুসল্লির মৃত্যু হলো।
টঙ্গী হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান চৌধুরী জানান, গত বুধবার ইজতেমা ময়দানের শৌচাগারে অজ্ঞাত এক মুসল্লি (৬৫) হঠাৎ দাঁড়ানো অবস্থা থেকে মাটিতে পড়ে যান। পরে উপস্থিত লোকজন তাঁকে রাত পৌনে তিনটার দিকে টঙ্গী হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসা কর্মকর্তা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ওই দিন রাতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে লক্ষ্মীপুর সদরের দীঘলিয়া এলাকার মো. আবদুল কুদ্দুস (৬০) মারা যান।




