প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বিকাল পৌনে তিনটার দিকে বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীরা বিএনপির দলীয় কার্যালয় নাসিমন ভবন থেকে ‘গণতন্ত্র’ লেখা একটি প্রতিকী কফিন নিয়ে কাজীর দেউড়ি মোড়ে এসে অবস্থান নেওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। এসময় বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীরা লাটি-সোটা নিয়ে এলোপাতাড়ি ভাংচুর শুরু করে। একপর্যায়ে পুলিশ তাদের ফাঁকা গুলি ও টিয়ার শেল ছুড়ে ছত্রভঙ্গে করতে গেলে সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষের খবর ছড়িয়ে পড়লে পুরো এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। নাসিমন ভবনের সামনে বিএনপির সমাবেশে থাকা নেতাকর্মীদের অনেকেই সংঘর্ষে যোগ দিলে পুলিশ গিয়ে ফাঁকা গুলি ছুড়ে সমাবেশ পণ্ড করে দেয়।
নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মিজানুর রহমান জানান, বিএনপির সমাবেশ চলাকালে কিছু নেতাকর্মী কর্তব্যরত পুলিশের ওপর আক্রমন শুরু করলে পুলিম অ্যাকশনে যায় এবং সমাবেশ পণ্ড করে দেয়। সংঘর্ষে এক পুলিশ সদস্য গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও দুইজন। সংঘর্ষের পর ঘটনাস্থল থেকে অন্তত ৫০ জনকে আটক করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন তিনি।
কোতোয়ালী থানার ওসি (তদন্ত) নেজাম উদ্দিন জানান, সংঘর্ষের পর বিএনপির সমাবেশস্থলের অদূরে ১৫ টি পেট্টল বোমা এবং কাজীর দেউড়ি এলাকার সার্কিট হাউসের সামনের সড়ক থেকে একটি অবিষ্ফোরিত ককটেল উদ্ধার হয়েছে। এদিকে, বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষের পর থেকে বিএনপির দলীয় কার্যালয় নাসিমন ভবন ও এর আশপাশের এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। সংঘর্ষের পর পুলিশ নাসিমন ভবনে তল্লাশী চালায়। তবে সেখানে কোন নেতাকর্মী ছিলেন না।




