রবিবার, অক্টোবর ২৫, ২০২৬
প্রচ্ছদজাতীয়শাস্তি বাড়িয়ে ‘বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন এর খসড়া নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা

শাস্তি বাড়িয়ে ‘বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন এর খসড়া নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা

শাস্তি বাড়িয়ে ‘বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন, ২০১৪’ বাংলায় করে এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।  সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ আইনের অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ মোশাররাফ হোসাইন ভূঞা সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ১৯২৯ সালের বাল্যবিবাহ নিরোধ আইনটি বেশ কিছু সংশোধন করে বাংলায় প্রণয়ন করা হয়েছে।  আইনে শাস্তি বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, বাল্যবিবাহ দেওয়া হলে দুই বছরের জেল এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।  বাল্যবিবাহকারী, পরিচালনা বা অনুষ্ঠান আয়োজনকারী এবং সম্পৃক্ত অভিভাবক বা বাবা-মা এ শাস্তির আওতায় আসবেন। আইনে ২১ বছর বয়সের কম ছেলেদের এবং ১৮ বছর বয়সের কম মেয়েদের নাবালক ধরা হয়েছে।

জন্ম নিবন্ধন সনদ, জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট, মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফেকেট বয়স নির্ভরের ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে। তবে মন্ত্রিসভা বাস্তবতার নিরিখে এ বয়সসীমা পর্যালোচনার জন্য পর্যবেক্ষণ দিয়েছে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।  তিনি বলেন, আমাদের দেশের বাস্তবতার কারণে বয়স একটু কমানো যায় কি না, এর প্রয়োজন আছে বলে মনে করে মন্ত্রিসভা। বর্তমানে শিশু আইনে ১৮ বছর পর্যন্ত শিশু ধরা হয় বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

আইনে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করার কথা বলা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, সরকারি কর্মকর্তা, বেসরকারি সংস্থার কর্মকর্তা, নাগরিক প্রতিনিধি নিয়ে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ কমিটি হবে, যারা প্রতিরোধে কাজ করবেন। এ জন্য আইনে পবিবারিক আদালতের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। বিবাহ বাতিলের বিষয়টি দেখবেন পারিবারিক আদালত। আইন অমান্য করলে শাস্তির বিষয়টি দেখবেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

পুরোনো আইনে এক মাসের সাজা ও এক হাজার টাকা জরিমানা থাকলেও পরবর্তীতে আরো বাড়ানো হয়। বর্তমানে যা ১০ হাজার টাকা রয়েছে। তবে অপরাধী নারী হলে শুধু জরিমানা প্রযোজ্য হবে, কারাদণ্ড প্রযোজ্য হবে না। এটা আগেও ছিল, এখনও আছে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

  • বিষয়:
  • top
আরও পড়ুন

সর্বশেষ