বৈঠকের পর শামীম চৌধুরী সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে জানান, নারীর অধিকার, নারীর ক্ষমতায়ন, নারী ও শিশু মৃত্যুহার রোধে বাংলাদেশের অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে বিদায়ী রাষ্ট্রদূত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসা করেন। প্রধানমন্ত্রী এসময় স্বাধীনতার পর থেকেই সুইডেন বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী ও ভালো বন্ধু বলে উল্লেখ করেন।
শিক্ষার হার ও মান বাড়াতে তার সরকারের উদ্যোগগুলোর কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক শিক্ষায় মেয়েদের অংশগ্রহণ বেড়েছে। প্রাথমিক সমাপনী ও জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষার মতো পাবলিক পরীক্ষা চালু করায় শিশুদের মধ্যে শিক্ষার আগ্রহ বেড়েছে। এ কারণে পাশের হারও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি এসময় বিনামূল্যে শিক্ষা, বই বিতরণ ও অতি দরিদ্র পরিবারগুলোকে অর্থ সহায়তা প্রদানে তার সরকারের উদ্যোগগুলোর কথা তুলে ধরেন।
শিক্ষায় বাংলাদেশের অগ্রগতির কারণেই উচ্চ শিক্ষায়, বিশেষ করে পোস্ট গ্রাজুয়েশন পর্যায়ে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য স্কলারশিপের সংখ্যা সুইডেন সরকার বাড়িয়েছে বলে এসময় প্রধানমন্ত্রীকে জানান বিদায়ী রাষ্ট্রদূত।প্রধানমন্ত্রী জানান, শিক্ষার ওপর তার সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে কারণ শিক্ষা অর্জিত হলে মানুষ নিজেই তার উন্নত জীবনের পথ খুঁজে নিতে পারে।




