তাইফ ফ্যাশন লিমিটেডে ৩৫৩ জন শ্রমিকের মে ও জুন মাসের ২৬ লাখ ১৮ হাজার ৮৫৮ টাকা করে বেতন বকেয়া। বিকেল পর্যন্ত নিয়েছে ২৬ জন। তোবা টেক্সাটাইল লিমিটেডে ২৯৬ জন শ্রমিকের মে ও জুন মাসের ২৪ লাখ ৩৫ হাজার ২১৩ টাকা বকেয়া। বিকেল পর্যন্ত বেতন নিয়েছে ৩৮জন শ্রমিক। তোবা ফ্যাশন লিমিটেডে ২৯০ জন শ্রমিকের মে মাসে ২৪ লাখ ১০ হাজার ১০৯ টাকা বকেয়া বেতন। জুন মাসে ২২ লাখ ৩২ হাজার ৫২৭ টাকা বকেয়া। বিকেল পর্যন্ত বেতন নিয়েছে ২৮জন শ্রমিক।
বুকশান ফ্যাশন লিমিটেডে ৪০৬জন শ্রমিকের মে মাসে ৩০ লাখ ২১ হাজার ৪৫৭ টাকা বকেয়া বেতন। জুন মাসে ২৭ লাখ ৯৩ হাজার ৬১৫ টাকা বকেয়া বেতন। বিকেল পর্যন্ত বেতন নিয়েছে ২১জন শ্রমিক। তবে বিজিএমইএ টাকা নিতে আসা শ্রমিকরা বিভ্রান্তিকর তথ্য দিচ্ছেন। শ্রমিকরা পুলিশ ও শ্রমিক নেতাদের দায়ী করছেন। তাদের দাবি, শ্রমিকরা আসতে চাইলেও পুলিশ বের হতে দিচ্ছে না।
অপরদিকে, শ্রমিক নেতারা সাধারণ শ্রমিকদের টাকা আনতে না যেতে হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন শ্রমিকরা। বুকশান ফ্যাশন লিমিটেডে টাকা নিতে আসা শ্রমিক রাজু বাংলানিউজকে জানান, পুলিশ ও শ্রমিক নেতারা শ্রমিকদের গার্মেন্টস থেকে বের হতে দিচ্ছে না। তিনি বলেন, ঘর ভাড়া ও দোকানে বাকি টাকা পরিশোধ করতে টাকা নিতে এসেছি। তবে আন্দোলন করার কারণে অনবরত হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে বিজিএমইএ স্ট্যান্ডিং কমিটি অন লেবার’র চেয়ারম্যান আবদুল আহাদ আনসারি বাংলানিউজকে বলেন, যতক্ষণ শ্রমিক আসবে ততক্ষণ টাকা দেওয়া হবে। প্রয়োজনে রাত ১০টা পর্যন্ত অথবা বৃহস্পতিবারও টাকা দেওয়ার চিন্তা করছে বিজিএমইএ। তবে বিকেল পর্যন্ত ১৯২ জন শ্রমিক বেতন নিয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।




