রবিবার, অক্টোবর ২৫, ২০২৬
প্রচ্ছদঅর্থ ও বানিজ্য সময়শ্রমিকরা দুই মাসের বকেয়া বেতন নিতে শেষ সময়ে ভিড় করছে বিজিএমইএ অস্থায়ী...

শ্রমিকরা দুই মাসের বকেয়া বেতন নিতে শেষ সময়ে ভিড় করছে বিজিএমইএ অস্থায়ী বুথে

তোবা গ্রুপের পাঁচটি কারখানার শ্রমিকরা দুই মাসের বকেয়া বেতন নিতে শেষ সময়ে ভিড় করছে বিজিএমইএ অস্থায়ী বুথে। বুধবার বিকেল তিনটা থেকে এ ভিড় দেখা যায়। তবে বুধবার সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত টাকা দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হলেও বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বৃদ্ধির চিন্তা করছে বিজিএমইএ।  অপরদিকে, বুধবার বিকেল সোয়া চারটা পর্যন্ত পাঁচটি কারখানার প্রায় দুই শতাধিক শ্রমিক বেতন নিয়েছে বলে জানা গেছে। তোবা গ্রুপের পক্ষ থেকে বিজিএমইএ কার্যালয়ে স্থাপিত অস্থায়ী বুথ সূত্রে জানা যায়, তোবা গ্রুপের পাঁচটি কারখানার মধ্যে মিতা ডিজাইন লিমিটেডে ১২১ জন শ্রমিক কর্মরত।  শ্রমিকদের মে ও জুন মাসের বকেয়া বেতন ১৬ লাখ ৩৫ হাজার টাকা। বিকেল সোয়া চারটা পর্যন্ত ১২ জন শ্রমিক বেতন নিয়েছেন।

তাইফ ফ্যাশন লিমিটেডে ৩৫৩ জন শ্রমিকের মে ও জুন মাসের ২৬ লাখ ১৮ হাজার ৮৫৮ টাকা করে বেতন বকেয়া। বিকেল পর্যন্ত নিয়েছে ২৬ জন।  তোবা টেক্সাটাইল লিমিটেডে ২৯৬ জন শ্রমিকের মে ও জুন মাসের ২৪ লাখ ৩৫ হাজার ২১৩ টাকা বকেয়া। বিকেল পর্যন্ত বেতন নিয়েছে ৩৮জন শ্রমিক। তোবা ফ্যাশন লিমিটেডে ২৯০ জন শ্রমিকের মে মাসে ২৪ লাখ ১০ হাজার ১০৯ টাকা বকেয়া বেতন। জুন মাসে ২২ লাখ ৩২ হাজার ৫২৭ টাকা বকেয়া। বিকেল পর্যন্ত বেতন নিয়েছে ২৮জন শ্রমিক।

বুকশান ফ্যাশন লিমিটেডে ৪০৬জন শ্রমিকের মে মাসে ৩০ লাখ ২১ হাজার ৪৫৭ টাকা বকেয়া বেতন। জুন মাসে ২৭ লাখ ৯৩ হাজার ৬১৫ টাকা বকেয়া বেতন। বিকেল পর্যন্ত বেতন নিয়েছে ২১জন শ্রমিক। তবে বিজিএমইএ টাকা নিতে আসা শ্রমিকরা বিভ্রান্তিকর তথ্য দিচ্ছেন। শ্রমিকরা পুলিশ ও শ্রমিক নেতাদের দায়ী করছেন। তাদের দাবি, শ্রমিকরা আসতে চাইলেও পুলিশ বের হতে দিচ্ছে না।

অপরদিকে, শ্রমিক নেতারা সাধারণ শ্রমিকদের টাকা আনতে না যেতে হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন শ্রমিকরা। বুকশান ফ্যাশন লিমিটেডে টাকা নিতে আসা শ্রমিক রাজু বাংলানিউজকে জানান, পুলিশ ও শ্রমিক নেতারা শ্রমিকদের গার্মেন্টস থেকে বের হতে দিচ্ছে না।  তিনি বলেন, ঘর ভাড়া ও দোকানে বাকি টাকা পরিশোধ করতে টাকা নিতে এসেছি। তবে আন্দোলন করার কারণে অনবরত হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে বিজিএমইএ স্ট্যান্ডিং কমিটি অন লেবার’র চেয়ারম্যান আবদুল আহাদ আনসারি বাংলানিউজকে বলেন, যতক্ষণ শ্রমিক আসবে ততক্ষণ টাকা দেওয়া হবে।  প্রয়োজনে রাত ১০টা পর্যন্ত অথবা বৃহস্পতিবারও টাকা দেওয়ার চিন্তা করছে বিজিএমইএ। তবে বিকেল পর্যন্ত ১৯২ জন শ্রমিক বেতন নিয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ