নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, যে স্থানে লঞ্চটি ডুবেছিল, আমরা তার আশপাশে ৩৬ কিলোমিটার জায়গায় তন্ন তন্ন করে খুঁজেছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত সিগনেফিকেন্ট কোনও অবজেক্ট আমরা পাইনি। উদ্ধারকারী জাহাজ রুস্তমের পর নির্ভীকও মঙ্গলবার দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। এর বাইরেও বিআইডব্লিউটিএর জাহাজ, টাগ বোট, স্পিডবোট মিলিয়ে উদ্ধার অভিযানে রয়েছে ১৫টি নৌযান। বর্ষার প্রবল স্রোতের মধ্যেও সনাতনি পদ্ধতিতে দড়িতে বেঁধে নোঙর ফেলে পিনাক-৬ এর অবস্থান জানার চেষ্টা করেছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স। এতে অংশ নিচ্ছেন ২৭ জন ডুবুরি। আর আকাশে টহল দিচ্ছে নৌবাহিনী, র্যাব ও পুলিশের হেলিকপ্টার।
উদ্ধারকর্মীরা বলছেন, যতো সময় যাচ্ছে, ডুবে যাওয়া লঞ্চটির স্রোতের টানে নদীর তলদেশে বহুদূর সরে যাওয়ার আশঙ্কা ততো বাড়ছে। আর সেটি কোথাও আটকে গেলে দ্রুত পলির নিচে ঢাকা পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বর্ষা মৌসুমে নদীতে প্রচুর পলি আর বালি থাকে বলে সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে লঞ্চটি খুঁজে পাওয়ার সম্ভাবনাও ধীরে ধীরে কমে আসছে। ঈদ ফেরত যাত্রীদের চাপের মধ্যেই মাদারীপুরের কাওড়াকান্দি থেকে মাওয়া ঘাটে আসার পথে সোমবার বেলা ১১টার দিকে আনুমানিক সাড়ে তিনশ যাত্রী নিয়ে পদ্মায় ডুবে যায় পিনাক-৬।




