দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান মো. বদিউজ্জামান বলেছেন, দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাখিল করা হলফনামা যাচাই করে কিছু রাজনীতিবিদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির তথ্য পাওয়া গেছে। তিনি আজ মঙ্গলবার দুপুরে চট্টগ্রাম নগরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ কথা বলেন। খবর বাসসের।
দুদকের চেয়ারম্যান বলেন, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থাকা রাজনীতিবিদদের ব্যাপারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং কিছু রাজনীতিবিদের হলফনামায় দুর্নীতির তথ্য পাওয়া গেছে। সে ব্যাপারেও তদন্ত হচ্ছে।
দেশের ব্যাংক খাতকে সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত হিসেবে উল্লেখ করে মো. বদিউজ্জামান বলেন, ব্যাংক কর্মকর্তাদের একটি অংশ সরকারি এবং বেসরকারি অর্থকে তাদের নিজস্ব সম্পত্তি হিসেবে মনে করে। হল-মার্ক ও ডেসটিনির আর্থিক দুর্নীতির উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এ আর্থিক অনিয়মকে শুধু দুর্নীতি বললে ভুল হবে। এটা ডাকাতির মধ্যে পড়ে।’ অনেক ব্যাংক কর্মকর্তা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত এবং তাঁরা দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দিয়েছেন বলে তিনি মন্তব্য করেন।
দুদকের চেয়ারম্যান নিজে দুর্নীতি না করতে এবং দুর্নীতিবাজদের পৃষ্ঠপোষকতা না দেওয়ার জন্য সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতি আহ্বান জানান। চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দীনের পরিচালনায় মতবিনিময় সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আব্দুচ সালাম, সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বনজ কুমার মজুমদার, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ সেলিম জাহাঙ্গীর ও সিভিল সার্জন সরফরাজ খান প্রমুখ।




