ডিসেম্বর মাসের জন্য ১২ কেজি এলপি গ্যাসের দাম ৩৮ টাকা বাড়িয়ে ১২৫৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। একইসঙ্গে অটোগ্যাস ৫৫.৫৮ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫৭.৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারদর এবং ডলারের দাম কিছুটা বৃদ্ধির কারণে বেড়েছে এলপিজির দাম। নতুন দর সন্ধ্যা ৬ টা থেকে কার্যকর হয়ে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বহাল থাকবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।
টানা কয়েকমাস দাম কমার পরে উর্ধমূখী এলপিজির বাজার। সেপ্টেম্বর, অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে এলপি গ্যাসের দাম কমেছে। নভেম্বর ২৬ টাকা কমিয়ে ১২১৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যা অক্টোবরে ১২৪১ টাকা ও সেপ্টেম্বরে ছিল ১২৭০ টাকা।
আবার বাংলাদেশের প্রতিবেশি ভারতের পশ্চিমবঙ্গে অনেক কম দামে পাওয়া যায় এলপি গ্যাস। সেখানে পরিবহন খরচ অনেক কম পড়ছে। আর আমাদের এখানে অনেক বেশি কিল কষা হচ্ছে। বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের যুক্তি হচ্ছে তারা ছোট জাহাজে করে পরিবহন করায় খরচ বেশি পড়ছে।
সম্প্রতি এক সেমিনারে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান বলেছেন, এলপিজি সিলিন্ডারের দাম হওয়া উচিত ১০০০ টাকা। ১২০০ টাকার সিলিন্ডার ১৪০০ থেকে ১৫০০ টাকায় বিক্রি হয়। দায়িত্বহীন ব্যবসা হতে পারে না, ব্যবসায়ীদের দায়িত্ব নিতে হবে। এলপিজির দাম কমানোটা চ্যালেঞ্জ, এ জন্য ব্যবসায়ীদের দায়িত্ব নিতে হবে, বেশি মুনাফা করে টাকা পাচারের সংস্কৃতি থেকে বের হয়ে আসতে হবে।




