শনিবার, অক্টোবর ২৪, ২০২৬
প্রচ্ছদদেশজুড়ে৫ ঘণ্টা পর চেষ্টা করেও মাইলস্টোন থেকে বের হতে পারলেন না দুই...

৫ ঘণ্টা পর চেষ্টা করেও মাইলস্টোন থেকে বের হতে পারলেন না দুই উপদেষ্টা ও প্রেস সচিব

রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় সেখানে যাওয়া দুই উপদেষ্টা ও প্রেস সচিবকে ঘিরে সৃষ্ট উত্তেজনা এখনো কাটেনি। মাইলস্টোন কলেজে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকা দুই উপদেষ্টা ও প্রেস সচিব আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় বের হওয়ার চেষ্টা করেও শেষ পর্যন্ত বের হতে পারেননি। আবারও তারা মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে ফিরে গেছেন। বুধবার (২২ জুলাই) বিকেল পৌনে ৪টায় এ ঘটনা ঘটে। সকাল থেকেই মাইলস্টোন কলেজে এক ধরনের উত্তেজনা বিরাজ করছে।

প্রায় পাঁচ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর কলেজ থেকে বের হতে পারলেও ফের কলেজ গেটে তাদের অবরুদ্ধ করে শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের তীব্র ক্ষোভের মুখে উপদেষ্টাদের গাড়ি বেরোতে পারেনি। বাধ্য হয়ে ৩টা ৪৮ মিনিটে গাড়ি ঘুরিয়ে ফের কলেজ ক্যাম্পাসে ফেরত আনা হয়।

কলেজ ক্যাম্পাসে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় বহু শিক্ষার্থী হতাহত হওয়ায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা সৃষ্টি হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায়, আজ যখন সরকারের দুই উপদেষ্টা আসিফ নজরুল ও সি আর আবরার এবং প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসেন, তখন তাদের অবরুদ্ধ করে শিক্ষার্থীরা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পুলিশি পাহারায় তাদের বের করে আনার চেষ্টা করা হলেও, কলেজ গেট পার হওয়ার আগেই বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা দিয়াবাড়ী গোল চত্বরে আবারো রাস্তায় দাঁড়িয়ে পড়ে এবং উপদেষ্টাদের গতিরোধ করে। শিক্ষার্থীরা ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিয়ে দুর্ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ প্রদর্শন করছে।

শিক্ষার্থীদের এই আকস্মিক অবরোধের কারণে উপদেষ্টাদের গাড়ি সামনে এগোতে পারেনি। একপর্যায়ে পরিস্থিতি সামাল দিতে না পেরে ৩টা ৪৮ মিনিটে গাড়ি ঘুরিয়ে ফের মাইলস্টোন কলেজ ক্যাম্পাসের ভেতরে ফেরত আনা হয়। বর্তমানে উপদেষ্টারা কলেজের ভেতরেই অবস্থান করছেন এবং শিক্ষার্থীরা গোল চত্বরে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছেন।

গতকাল সোমবার দুপুর ১টার পর রাজধানীর উত্তরায় দুর্ঘটনায় পড়ে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান। বিমানটি উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের একটি ভবনে গিয়ে পড়ে এবং বিধ্বস্ত হয়। সঙ্গে সঙ্গে বিমান ও স্কুল ভবনটিতে আগুন ধরে যায়। যে ভবনে এটি বিধ্বস্ত হয় সেখানে বহু স্কুল পর্যায়ের শিক্ষার্থী ছিল। যাদের বেশিরভাগই হতাহত হয়েছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ