শনিবার, অক্টোবর ২৪, ২০২৬
প্রচ্ছদচট্রগ্রাম প্রতিদিনপ্রশাসনের বিভিন্ন জায়গায় স্বৈরাচারের দোসররা আছে : নাহিদ

প্রশাসনের বিভিন্ন জায়গায় স্বৈরাচারের দোসররা আছে : নাহিদ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, প্রশাসনের বিভিন্ন জায়গায় স্বৈরাচারের দোসররা আছে। রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে চট্টগ্রামের স্টেশন রোডের হোটেল সৈকতে জুলাই শহীদ পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশই আমাদের প্রত্যাশা। যেখানে সকল ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষ সমমর্যাদা নিয়ে বাস করতে পারবে। তিনি বলেন, গত ৫০ বছরে বাংলাদেশকে নানাভাবে বিভাজিত করে রাখা হয়েছিল এবং যার বড় শিকার হয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম। এখানে নানা বিভাজন ও অশান্তি জিইয়ে রেখে অন্য একটি পক্ষ বারবার সুবিধা নেয়ার চেষ্টা করে।

দ্বিতীয় আর কোনও পক্ষকে সুবিধা নিতে দেয়া হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের সম্প্রদায়গুলোর মধ্যে কোনও সমস্যা থাকলে আমরা নিজেরাই সুরাহা করবো। এর জন্য আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, ৭২ এর সংবিধানের বিরুদ্ধে আমরা বলে আসছি। সেটা মুজিববাদী সংবিধান এবং সেখানে সকল জনগোষ্ঠীকে অন্তর্ভূক্ত করা হয়নি। বাঙালি জাতীয়তাবাদের নামে অবাঙালি জনগোষ্ঠীর সাথে বিভেদ তৈরি করে রাখা হয়েছে। ধর্ম নিরপেক্ষতার নামে অন্য ধর্মে বিভেদ সৃষ্টি করে রাখা হয়েছে। আমরা সকল বিভেদের ঊর্ধ্বে গিয়ে সকল জানগোষ্ঠীকে মর্যাদা দিয়ে একটি সংবিধান তৈরি করতে চাই।

বাংলাদেশকে যেকোনো আধিপত্যবাদের হাত থেকে রক্ষা করতে হলে সবাইকে একসাথে লড়াই করতে হবে উল্লেখ করে নাহিদ বলেন, আমরা যেমন সম্প্রদায়গুলোর মধ্যে সম্প্রীতি চাই, একইভাবে ফ্যাসিবাদবিরোধী যে রাজনৈতিক দল রয়েছে, সেই দলগুলোর মধ্যে সৌহার্দ এবং সম্প্রীতি চাই। পুরোনো সংঘাত এবং বিরোধীতার রাজনীতি থেকে বের হয়ে আসতে চাই।

এ সময় নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমরা শহীদ পরিবারের কাছে কোনো দল হিসেবে আসিনি। আমরা এসেছি- অভ্যুত্থানে আমরা ছিলাম, আপনাদের পরিবারের সদস্যরা আমাদের সঙ্গে ছিল, সে জায়গা থেকে। দল-মতের ঊর্ধ্বে সবাইকে একটি পরিবার মনে করি। অবশ্যই শহীদ পরিবারদের–শহীদদের কোনো দল হয়নি, এটা আমরা মনে করি। তারা পুরো বাংলাদেশের, দেশের জন্য জীবন দিয়েছেন।

এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, ‘আমরা যখন সরকারে ছিলাম, তখন শহীদ পরিবারদের নিয়ে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়ার ক্ষেত্রে বিভিন্ন রকম চাপ তৈরি করেছি। দেখা যাচ্ছে, উদ্যোগগুলো মাঠ পর্যায়ে পৌঁছায়নি বা পৌঁছাতে দেরি করছে এবং সেখানে অনেক ধরনের ঝামেলা এখনও হয়।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ