কোন নির্বাচন আগে হবে সে বিষয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) নয়, সিদ্ধান্ত সরকার নেবে, ইসির নয়। আর এনসিপির দাবি রাজনৈতিক, ইসি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করবে না বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মোহাম্মদ সানাউল্লাহ। মঙ্গলবার (২১ মে) জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ইসি কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচি থেকে অভিযোগ করা হয় ইসি একপাক্ষিক কাজ করছে। এর জবাবে নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ এ মন্তব্য করেন।
এরআগে, দুপুর ১২টার দিকে নির্বাচন কমিশনের প্রধান ফটকে অবস্থান নেন এনসিপি নেতাকর্মীরা। এ সময় ২০২২ সালের বাকশালী নির্বাচন কমিশন গঠন আইন বাতিল করে নাসির উদ্দিন কমিশনের পদত্যাগের দাবি জানান তারা। একইসঙ্গে নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করে স্থানীয় সরকারের নির্বাচন দেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন নেতারা।
নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন এবং স্থানীয় সরকারের নির্বাচন দ্রুত দেয়ার দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশে এমন বক্তব্য দেন তারা। বলেন, বর্তমান কমিশন তাদের নিরপেক্ষতা হারিয়েছে।
এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার বলেন, বাকশালী আইনে যে ইসি গঠন হয়েছে, সেই কমিশন তাদের নিরপেক্ষতা হারিয়েছে। একটি দলের মুখপাত্র হয়ে কাজ করছে ইসি, এ অবস্থায় কমিশনের পদত্যাগের দাবি জানান তিনি।
এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী বলেন, কমিশনের ফিটনেস পরীক্ষা ছাড়া জাতীয় নির্বাচনে যাওয়া সম্ভব নয়। তাই ইসি পুনর্গঠনের পর স্থানীয় সরকারের নির্বাচনের তাগিদ দেন তিনি। এই নির্বাচনে উত্তীর্ণ হলেই কেবল জাতীয় নির্বাচন সম্ভব বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
এদিকে, ভোটকেন্দ্র স্থাপন নীতিমালায় ডিসি এসপিদের বাদ দিয়ে ইসির অধীনে এনে খসড়া নীতিমালার সংশোধনী নীতিগতভাবে অনুমোদন করেছে ইসি। এছাড়া, রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালার খসড়াও নীতিগতভাবে অনুমোদন দিয়েছে সাংবিধানিক এই প্রতিষ্ঠানটি।



