প্রায় পনেরশ বছরের আদি শহর পটিয়া। আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ ও প্রীতিলতার পটিয়া। প্রাচীনকাল থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধর্ম, বর্ণ, জাতি-গোষ্ঠী নির্বিবাদে বসবাস করে আসছে। একসময় সুদুর ইয়ামেন থেকে ইসলাম ধর্ম প্রচার করতে এসেছিলেন সুফিসাধক হযরত শাহচান্দ আউলিয়া (র.)। বহু গুণী, মনিষীর জন্মভূমি পটিয়া, চট্টগ্রামের সবচেয় উর্বরভূমি। কালের সাক্ষী বইটিতে স্থানীয় ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি তুলে ধরার প্রয়াস মাত্র। বইটিতে এক ঝলকে উপস্থাপন করা হয়েছে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য থেকে শুরু করে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, দর্শনীয় স্থান, মসজিদ, মন্দির, দিঘি, জমিদার বাড়ি, বিলুপ্ত শিল্প-সংস্কৃতি সবই।
চট্টগ্রাম সরকারি বাণিজ্য কলেজের প্রয়াত অধ্যক্ষ শাফায়েত আহমেদ সিদ্দিকী স্যার পটিয়া সম্পর্কে বলেছিলেন, “পটিয়া ইজ দা ব্রেইন বক্স অব চিটাগাং” বীরপ্রসবিনী পটিয়ায় জন্মেছিলেন, ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের অগ্নিকন্যা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার। ছাত্রজীবন থেকে ইতিহাস ঐতিহ্যর প্রতি বরাবরই দুর্বলতা ছিল। সেই থেকে দৈনিক পূর্বকোণের “শহর থেকে দূরে পাতায়” প্রায় ৭টি বছর লিখেছি, দৈনিক আজাদী, প্রথম আলো বন্ধুসভা, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি-বিষয়ক দ্বিমাসিক পত্রিকা ইতিহাসের খসড়ায় সমন্বয় সহকারী হিসেবে নিয়মিত পটিয়া নিয়ে লিখে চলেছি।
গত ২০টি বছর ধরে পটিয়ার দর্শনীয় স্থানসহ নানা বিষয় নিয়ে কাজ করেছি। তারই সাক্ষরতার অনন্য প্রয়াস “কালের সাক্ষী পটিয়া” পটিয়া সম্পর্কে জানার জন্য আগামীর প্রজন্ম ও প্রিয় পাঠকের কাছে বইটি ভালো লাগবে প্রত্যাশা। বইটি প্রকাশ করেছে আদিগন্ত প্রকাশন। প্রচ্ছদ শিল্পী-ধ্রুব এষ, মূল্য ৭০০ টাকা। অমর একুশের বইমেলার ৯৩৬-৯৩৮ নম্বর স্টলে বইটি পাওয়া যাচ্ছে।
রশীদ এনাম, লেখক ও গবেষক।




