চট্টগ্রাম অফিস (বিডি সময় ২৪ ডটকম)
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের সাতকানিয়া উপজেলার হাসমতের দোকান এলাকায় অবরোধকারীদের ছোঁড়া ককটেলে মো.শাহেদ (২০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। চোখের সামনে ককটেল বিস্ফোরণে রক্তাক্ত সন্তানকে দেখে এসময় অজ্ঞান হয়ে পড়েন তার মা। বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটেছে।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নায়েক বাশার শাহেদের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। চট্টগ্রামের সাতকানিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার একেএম এমরান ভূঁইয়া বলেন, ‘অবরোধকারীদের হাতে শাহেদ নামে এক যুবক নিহত হয়েছে বলে আমরা নিশ্চিত হয়েছি। তবে অবরোধকারীদের ককটেলে নাকি গাড়ি উল্টানোর ফলে মৃত্যু হয়েছে সেটি এখন নিশ্চিত হতে পারিনি।’
চিকিৎসকের বরাত দিয়ে চমেক হাসপাতালের নায়েক বাশার বলেন, ‘ককটেলে শাহেদের বুকের বাম পাশে গর্ত হয়ে গেছে। হাতে এবং পায়ে স্প্লিণ্টার পাওয়া গেছে। ককটেলের আঘাতেই শাহেদের মৃত্যু হয়েছে বলে হাসপাতালে তার সঙ্গে আসা লোকজন জানিয়েছেন।’
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে নায়েক বাশার জানান, শাহেদ সাতকানিয়া উপজেলার কেওচিয়া ইউনিয়নের খন্দকার পাড়া গ্রামের জনৈক বদিউল আলমের ছেলে। বুধবার বিকেলে শাহেদ তার মাকে নিয়ে কেরাণীহাট এলাকায় বেড়াতে গিয়েছিল।
সেখান থেকে নসিমন গাড়িতে চড়ে তারা বাড়িতে ফিরছিল। নসিমনটি হাসমতের দোকান এলাকায় পৌঁছার পর অবরোধকারী জামায়াত-শিবিরের কর্মীদের ভাংচুরের মুখে পড়ে। এসময় নসিমনটি উল্টে যায়। এসময় অবরোধকারীদের ছোঁড়া ককটেলে শাহেদ গুরুতর আহত হয়ে রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন। তাকে আহত অবস্থায় দ্রুত চমেক হাসপাতালে আনার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নায়েক বাশার জানান, ককটেল বিস্ফোরণে রক্তাক্ত হবার দৃশ্যটি নিজ চোখে দেখে আর স্থির থাকতে পারেননি শাহেদের মা। এসময় তিনি অজ্ঞান হয়ে সেখানে পড়ে যান। পরে তাকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। শাহেদ কেরাণীহাট এলাকায় তার বড় ভাইয়ের ফার্ণিচারের দোকানে কাজ করত বলে জানান নায়েক বাশার।




