বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ১৪ দিনের ব্যবধানে কমল ১৭৩ কোটি ডলার। এর ফলে রিজার্ভ কমে ২ হাজার ১৪৫ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে। তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ ৫ সেপ্টেম্বর বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ২ হাজার ৩১৮ কোটি ডলার। এরপর এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) দায় পরিশোধ করা হয়। জুলাই-আগস্ট সময়ের আমদানির বিলে ব্যয় তরা হয়। এছাড়া ডলার সংকটের কারণে বাজারে ডলার ছেড়ে ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর ফলে রিজার্ভ কমে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ১৪৫ কোটি ডলারে।
এরপর আমদানি কমাতে নানা শর্ত ও কড়াকড়ি আরোপ করে বাংলাদেশ ব্যাংক। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আমদানিতে অতিরিক্ত শুল্ক বসায়। এরপর কমতে শুরু করে আমদানি ব্যয়। এর আগে মে-জুন সময়ের জন্য ১১০ কোটি ডলারের আকু বিল পরিশোধ করা হয়েছিলো। এরপরের জুলাই-আগস্টে আমদানি কিছুটা বেশি হয়। এ দায়ের জন্য ৫ শতাংশের বেশি হারে সুদ পরিশোধ করতে হয়।
রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি অব্যাহত রাখায় বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে রিজার্ভ কমে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৭৩৩ কোটি ডলার। গত বছর একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল প্রায় ৩ হাজার ৬৯৬ কোটি ডলার। এর আগে ২০২১ সালের আগস্টে রেকর্ড ৪৮ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করেছিল রিজার্ভ। বিদায়ী ২০২২-২৩ অর্থবছরে রিজার্ভ থেকে ১ হাজার ৩৫৮ কোটি ডলার বিক্রি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর আগে ২০২১-২২ অর্থবছরে সর্বোচ্চ ৭ দশমিক ৬২ বিলিয়ন ডলার বিক্রি করা হয়েছিল।




