বাংলাদেশ গীতা শিক্ষা কমিটি বাগীশিক নাজিরহাট পৌরসভা সংসদের শুভ অভিষেক অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ টি এম পেয়ারুল ইসলাম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ টি এম পেয়ারুল ইসলাম বলেন, জাতির পিতার স্বপ্ন পূরণসহ অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গঠনে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বাঙালির চিরকালীন ঐতিহ্য এবং বিশ্বজন স্বীকৃত। এ ঐতিহ্যকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে নিতে হবে। সম্প্রীতির এই বন্ধন কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যেন ছিন্ন করতে না পারে, সেদিকেও সকলকে সজাগ থাকার তাগিদ দেন।শান্তি আর সমৃদ্ধির এক জনপদ বাংলাদেশ এবং এ অর্জনের পেছনে রয়েছে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের নিরলস শ্রম আর অব্যাহত প্রচেষ্টা।আমাদের উন্নয়ন ও অগ্রগতির পেছনে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ইতিবাচক অবদান অনস্বীকার্য। আগামী দিনে সকলের মধ্যে বিদ্যমান সৌহার্দ্যরে বন্ধন আরো গভীর হবে।
তিনি আরও বলেন, সব ধর্মের মূল বাণী হচ্ছে আত্মাকে পরিশুদ্ধ করা। অস্থিরতার কারণে মানুষের মানবিক আত্মা চাপা পড়ে যায়। সনাতনী শিশুদের ছোটবেলা থেকে গীতার শিক্ষায় আলোকিত করে তুলতে হবে। তাতে যেমন একদিকে পূণ্য হবে, অন্যদিকে সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা পাবে। সনাতন ধর্ম এক বৈচিত্র্যময় ধর্ম এবং এক বিশাল জগৎ। গীতা শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে সকলে কাজ করতে হবে।
সংগঠনের সভাপতি সজল চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে পার্থ ঘোষের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন প্রীতম চৌধুরী, বনগোপাল চৌধুরী, পরশ চৌধুরী, উজ্জ্বল মহারাজ, শুভাশিস চৌধুরী, শিবু দাশ, পলাশ কান্তি নাথ, অমিত ভৌমিক, জুয়েল চক্রবর্তী, সুমন বনিক, রূপক দে, মুক্তিযোদ্ধা বাবুল দে, প্রভাষ ধর, বরুন কুমার আচার্য, লিংকন চক্রবর্তী, বোরহান আহমেদ, প্রিয়জন ভট্টাচার্য, মানস চক্রবর্তী,সুজন দে, শফিউল আজম, আদিত্য সৈকত, বাসু চৌধুরী , তাপস চক্রবর্তী, আমান উল্লাহ।




