রবিবার, অক্টোবর ২৫, ২০২৬
প্রচ্ছদখেলার সময়মঙ্গলবার তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচ

মঙ্গলবার তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচ

স্পোর্টস ডেস্ক (বিডি সময় ২৪ ডটকম)

বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার দুই ম্যাচের  টেস্ট সিরিজ ড্র হয়েছে। এবার ওয়ানডে পরীক্ষায় নামছে দল দুটি। মঙ্গলবার ঢাকার মিরপুরে শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচটি হবে। বাংলাদেশ সময় দুপুর দেড়টায় শুরু হবে খেলাটি।

পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে বিস্তর ফারাক বাংলাদেশের। এখন পর্যন্ত ২১টি ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে দল দুটি। তাতে ১৬টি ম্যাচে জয় পেয়েছে নিউজিল্যান্ড। আর পাঁচ ম্যাচে জয় বাংলাদেশের। তবে ২০১০ সালে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত দুই দলের সর্বশেষ সিরিজে কিউইরা ৪-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ হয়েছিল। সেই স্মৃতি উজ্জীবিত করছে স্বাগতিক সমর্থক ও টাইগার ক্রিকেটারদের। এটাকে অনুপ্রেরণা হিসেবে মেনে সামনে এগুতে চাইছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমও।

মুশফিক বলছেন, ওয়ানডেতে তাদের বিরুদ্ধে দারুণ কিছু স্মৃতি আছে আমাদের। এটা অবশ্যই আমাদের অনুপ্রেরণা যোগাবে। ভালো খেলার তাগাদা দেবে। তবে ২০১০ সালের সিরিজে নিউজিল্যান্ড ৪-০ ব্যবধানে বিধ্বস্ত হওয়ায় কিছুটা সতর্কও টাইগার দলপতি। বিষয়টি নিয়ে মুশফিকের সতর্ক বক্তব্য, নিউজিল্যান্ড খুবই শক্তিশালী একটি দল। তাই হোয়াইটওয়াশের বিষয়টি মাথায় থাকলেও আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। কারণ, নিউজিল্যান্ড পুরো শক্তি ঢেলে আমাদের পরাস্ত করতে চাইবে।

ঘরের মাঠে ওয়ানডেতে সমীহ জাগানোর মতো দল বাংলাদেশ। টেস্টে সময়টা ভালো না গেলেও ওয়ানডেতে বরাবরের মতোই বিপজ্জনক দল নিউজিল্যান্ড। দুই দলের সর্বশেষ সিরিজ একপেশে হলেও এবার পাওয়া যাচ্ছে লড়াইয়ের প্রতিশ্রুতি। দিবা-রাত্রির এই ম্যাচে রাতে শিশির পড়াটা বাংলাদেশের একাদশ নির্বাচনে ভালোই প্রভাব ফেলবে। অন্তত অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমের কথায় তারই আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

উইকেট দেখে মনে হচ্ছে, স্পিনাররা বেশ সহায়তা পাবে। শিশির ফ্যাক্টর একটা বড় ব্যাপার হতে পারে। উদ্বোধনী জুটিতে তামিম ইকবালের সঙ্গী এনামুল হকের সময়টা ভালো কাটছে না। টেস্ট সিরিজে খুব একটা ভালো করতে পারেননি। শেষ চার ওয়ানডেতে সব মিলিয়ে করেছেন ৫৪ রান। টপ অর্ডারের আরেক ব্যাটসম্যান শামসুর রহমান তিনটি টি-টোয়েন্টি খেললেও এখনো ওয়ানডে খেলেননি। তামিমের সঙ্গী তাই হতে পারেন অফস্পিন অলরাউন্ডার নাঈম ইসলাম। এর আগেও ইনিংস উদ্বোধন করেছেন তিনি। দলে থাকলে নাঈমকে টপ অর্ডারেই খেলানোর ইঙ্গিত মুশফিকের। সহ-অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ টেস্ট খেলার সুযোগ পাননি। নাঈম ওপেন করলে তিনি তিনে ব্যাট করতে পারেন। তিন নম্বর খুব গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন একটি পজিশন। এমন একজনকে দেখতে পাবেন যে কিনা ভালো খেলছে। কোনো সিনিয়র প্লেয়ার হলে সেও খেলতে পারে। টিম সিচুয়েশনে কেমন হবে তার ওপরে নির্ভর করবে কে খেলবে। তিন পেসার না নিয়ে খেলার সম্ভবনাই বেশি বাংলাদেশের। তবে পেসাররা সহায়তা পাবেন মনে করলে অলরাউন্ডার জিয়াউর রহমানকে দেখা যেতে পারে তৃতীয় পেসার হিসেবে। তবে মিরপুরের মতো স্পিন সহায়কে এটা কতোটা কার্যকরি ভূমিকা রাখতে পারে সেটাই বিবেচ্য। ইনজুরি কাটিয়ে দলে ফেরা মাশরাফি বিন মুর্তজার খেলা নিশ্চিত। নতুন বলে তার সঙ্গী রুবেল হোসেন। এরপর আর বোধ হয় কোন পেসার প্রযোজন নেই।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ