আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য তোফায়েল আহমদ বলেছেন, ২৪ অক্টোবরের পর যে কোন দিন সংসদ অধিবেশন চলতে পারে। বুধবার সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদের ১৯তম অধিবেশনে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে তিনি একথা বলেন।
তোফায়েল আহমেদ বলেন, ২৪ অক্টোবর সংসদের মেয়াদ শেষ নয়। বিরোধী দলীয় নেত্রী ২৪ অক্টোবরকে টার্গেট করে ২৫ অক্টোবর থেকে আন্দোলন কর্মসূচী দেয়ার ঘোষনা দিয়েছেন। তিনি সাংবাধিনিক নির্বাচনকে প্রতিহত করার জণ্য কেন্দ্রভিত্তিক সংগ্রাম কমিটি করতে যাচ্ছেন।
তিনি বলেন, মূলত ২৪ অক্টোবর সংসদ শেষ হচ্ছে না। ২৪ অক্টোবরের পর ২৫ অথবা ২৬ অক্টোবর বা নভেম্বরের যে কোন দিন সংসদ অধিবেশন বসতে পারে। নির্বাচনের তফশিল ঘোষনার পর হয়তো সংসদ বসবে না। যেহেতু হুমকি ধমকি দেয়া হচ্ছে তাই আমি মনে করি ২৪ অক্টোবরের পর সংসদ অধিবেশন পরিচালনা করা উচিত।
এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের আরেক সিনিয়র সংসদ সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেন, বিরোধী দল দেশে একটা আতংক ও ভীতি সৃষ্টির চেষ্টা করছে। ২৪ অক্টোবরের পর সংসদ চালাতে সংবিধানে আমাদের জন্য কোন বাঁধা নেই। তিনি বলেন, ‘বিরোধী দলীয় নেতা সংবিধানের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে নির্বাচন প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়েছেন।’
বিরোধী দলের উদ্দেশে সুরঞ্জিত বলেন, ‘২৪ তারিখ কী হবে? সংবিধানের ১২৩ এ বলা আছে। দেশে কীভাবে নির্বাচন হবে। সংসদের মেয়াদ উত্তীর্ণ হলে তার ৯০ দিন আগে নির্বাচন হবে। সংবিধানে আরও বলা আছে, সংসদের মেয়াদ পাঁচ বছর। সুতরাং এই মেয়াদ পূর্ণ হবার একদিন আগেও সংসদ ভেঙে দেয়ার অধিকার কারো নেই।’
সংসদ কতদিন চলবে, সেটা একেবারেই স্পিকারের এখতিয়ার। ওনাদের যে তিনটি কথা, একজন প্রধানমন্ত্রী থাকবেন। প্রধানমন্ত্রী ছাড়া রাষ্ট্র চলবে না। সংসদও থাকবে। আগের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত নতুন প্রধানমন্ত্রীর কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করবেন।
সুরঞ্জিত বলেন, ২৪ অক্টোবর এমন কোনো রেড লেটার ডে না যে বিরোধী দল বারবার বলছে ওইদিনের পরে তারা এই করবেন সেই করবেন। বরং ২৪ তারিখের পরেও সংসদ চলতে পারে। এতে সাংবিধানিক কোনো বাধা নেই। নির্বাচনে অংশ নেয়া ছাড়া সংবিধানের বাইরে গিয়ে আর কিছু করার সুযোগ নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন। বিরোধী দলীয় নেতাকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘মানুষকে ভয় ভীতি দেখিয়ে লাভ নেই।’ নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে আওয়ামী লীগ বদ্ধপরিকর বলেও সুরঞ্জিত উল্লেখ করেন।




