ডেস্ক রিপোর্ট (বিডি সময় ২৪ ডটকম)
সংসদ নির্বাচনের সময় যথাযথ পরিবেশ সৃষ্টির জন্য নির্বাচন কমিশনের (ইসি) চাহিদা অনুযায়ী আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন করা হবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানে ইসি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে।’ বুধবার সংসদে নির্ধারিত প্রশ্নের জবাবে সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতিমূলক কাজের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে এ কথা বলেন তিনি। এদিন বিকাল ৫টার পর স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের অধিবেশন শুরু হয়।
গোলাম দস্তগীর গাজীর এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানে ইসি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে। এরই মধ্যে ভোটার তালিকা হালনাগাদ করা হয়েছে। নির্বাচনী এলাকাভিত্তিক ভোটার তালিকা ছাপা ও সিডি তৈরির কাজ চলছে। ভোটার ও ভোটকেন্দ্র বাড়ায় অতিরিক্ত ৪০ হাজার স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স ও অন্যান্য নির্বাচনী মালামাল কেনার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। প্রায় সাত লাখ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তার প্রশিক্ষণের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের সময় প্রার্থী ও দলগুলো যাতে আচরণবিধি মেনে চলে, সেজন্য প্রয়োজনীয় বিচারিক ও নির্বাহী হাকিম নিয়োগ করা হবে।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচন পরিচালনার জন্য যে পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন হয়, সরকার তা বরাদ্দ দিয়ে থাকে। এ বিষয়ে কমিশনের আর্থিক স্বাধীনতা আছে।’ তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর এ পর্যন্ত পাঁচ হাজার সাতশ’ ৭৮টি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সব নির্বাচনই অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে।’
সুলতানা বুলবুলের প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় প্রায় ৪০টি জঙ্গি সংগঠন নিয়ন্ত্রণহীনভাবে দেশজুড়ে বোমাবাজি, গ্রেনেড হামলা ও সন্ত্রাস চালিয়েছিল। বিএনপি সরকারের যোগসাজশে বোমা হামলা চালিয়ে সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া ও আহসান উল্লাহ মাস্টারসহ অনেক নেতাকে হত্যা করা হয়।’
তিনি বলেন, ‘বিএনপি সরকারের যোগসাজশে হরকাতুল জিহাদ গ্রেনেড হামলা চালিয়ে আমাকে ও আওয়ামী লীগ নেতাদের হত্যার চেষ্টা চালায়। আমি প্রাণে বেঁচে গেলেও আইভি রহমানসহ ২২ জনকে প্রাণ দিতে হয়েছে। বর্তমান সরকারের প্রচেষ্টায় দেশ থেকে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দূর হয়েছে।’




