রাঙামাটির জেলা প্রশাসক এ কে এম মামুনুর রশিদ বলেছেন, নিরাপদ সড়ক নিশ্চিতের লক্ষে আমাদের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। ট্রাফিক বিভাগ ও প্রশাসন কাজ করেই নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করা যাবেনা। এর জন্য দরকার আমাদের সকলের জনসচেতনতা। জনসচেতনতা বাড়লে সড়কে দুর্ঘটনাও কমবে।
রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের আয়োজনে ও বিআরটিএ রাঙামাটি শাখার সহযোগিতায় সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত এক অবহিতকরণ সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রোববার সকালে রাঙামাটি জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক বলেন, আমরা রাঙামাটির অটোরিকশা ও বাস, ট্রাক চালকদের নিয়ে একটা প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করবো; যেখানে তাদের সড়ক গাড়ি চালানোর নিয়মকানুনসহ অন্যান্য আইনি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।
অবহিতকরণ সভায় জেলা প্রশাসক এ কে এম মামুনুর রশিদ’র সভাপতিত্বে এতে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এস এম শফি কামাল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শারমিন আলম, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) জাহাঙ্গীর আলম, কোতয়ালীর অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সত্যজিৎ বড়–যা।
মত বিনিময় সভায় বক্তব্য দেন, রাঙামাটি পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান এ কে দেওয়ান, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ সাবেক সদস্য মনিরুজ্জামান মহসীন রানা, প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার আল হক, ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক ইসমাইল হোসেন, সড়ক ও জনপথ বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী আবু মুছা, স্কাউট সংগঠক মো. আবছার, রাঙামাটি সিএনজি অটোরিকশা মালিক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি পরেশ মজুমদার, সাধারণ সম্পাদক মহসীন রোমান ও ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ ও জেলার বিভিন্ন স্তরের প্রতিনিধিরা।
অবহিতকরণ সভায় বক্তারা বলেন, ফিটনেস বিহীন গাড়ির সংখ্যা বাড়াতে দিনদিনই দুর্ঘটনায় বেড়েই চলছে। এরমধ্যে চালকদের মধ্যে অধিকাংশেরই নেই ড্রাইভিং লাইচেঞ্জ। এসময় তারা পাম্পগুলোতে যেনো হেলমেড ছাড়া তেল বিক্রি করা না হয়। সে ব্যাপারে দাবি জানিয়েছেন।
ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক (টিআই) ইসমাইল বলেন, গত আগস্ট মাসে ট্রাফিক বিভাগ রাঙামাটিতে ৬ শ’ এর অধিক যানবাহনকে মামলা দিয়েছে। কিন্তু চালক ও মালিকদের সচেতনতা না বাড়লে মামলা-জরিমানা করেও কোনো কাজ হবে না। সড়ক ও জনপথ বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী আবু মুছা বলেন, সমতলের এলাকা পাহাড়ি এলাকার রাস্তাঘাট অনেকাংশে ঝুঁকিপূর্ন। এখানে এসময় ওভারলোডের কারণে চালকরা যানবাহনের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনায়। যাতে কোনো ওভারলোড গাড়ি চলাচল করতে না পারে সে ব্যাপারে নজরদারি করতে হবে।




