বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গণে রয়েছে অগণিত সম্ভাবনা। সমসাময়িক সময়ের প্রেক্ষাপটে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পাশ্চাত্য সংস্কৃতির প্রভাব বেশি দেখা যায়। এইক্ষেত্রে ব্যাতিক্রম চিটাগং ইন্ডিপেনডেন্ট ইউর্নিভাসিটি। ভার্সিটি সাংস্কৃতিক ক্লাব বরাবর বাংলা সাহিত্য ও বাংলা ভাষায় প্রতি গুরুত্ব আরোপের পাশাপাশি বিভিন্ন সময়ে দেশীয় সাংস্কৃতিক চর্চার প্রতি ছাত্রছাত্রীদের উৎসাহিত করে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মকে দেশীয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের গুরুত্ব সম্পর্কে অবগত করতে চিটাগং ইন্ডিপেনডেন্ট ইউর্নিভাসিটি কালচারাল ক্লাবের পক্ষ থেকে জামালখানস্থ ক্যাম্পাসে একটি ফ্ল্যাশমুব আয়োজন করা হয়। ১৬ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২টায় হঠাৎ করে কয়েকশ ছাত্রছাত্রীদের উপস্থিতিতে সিআইইউ গ্রাউন্ড ফ্লোরে ও পৃথিবী এবার এসে বাংলাদেশ নাও চিনে গানটি বেজে ওঠে এবং এই গান দিয়েই চিটাগং ইন্ডিপেনডেন্ট ইউর্নিভাসিটি কালচারাল ক্লাবের ২০জন ছাত্রছাত্রীর সমন্বয় ফ্লাশমুব অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাংলাদেশের গ্রাম্য সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য তুলে ধরা হয় এবং জাতীয় পতাকাকে সম্মানের সাথে স্যালুট দিতে দেখা য়ায়।
ফ্ল্যাশমুবের আয়োজনে সার্বিক দায়িত্ব ছিলেন চিটাগং ইন্ডিপেনডেন্ট ইউর্নিভাসিটি কালচারাল ক্লাব। এর কোরিওগ্রাফি করেন ক্লাবের সহকারী সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী তাবাসসুম আল ফেরদৌসী এবং সহযোগিতায় ছিলেন সদস্য সাবরিনা আলম। সম্পূর্ণ ফ্ল্যাশমুব এর চিত্র সম্পদনার দায়িত্বে ছিলেন ক্লাবের সাধারন সদস্য মোহাম্মদ সাইফুল আলম।
ফ্ল্যাশমুবের পাশাপাশি আগামী সপ্তাহে কালচারাল ক্লাবের পক্ষ থেকে একটি মিউজিক মুব করার পরিকল্পনার কথা জানান ক্লাবটির প্রেসিডেন্ট ও চিটাগং ইন্ডিপেনডেন্ট ইউর্নিভাসিটির সহযোগী অধ্যাপক ড. রোবাকা শামশের। তিনি আরো বলেন, লেখাপড়ার পাশাপাশি এমন সব ভিন্নধর্মী সাংস্কৃতিক আয়োজন ছাত্রছাত্রীদের সাংস্কৃতিক প্রতিভা বিকাশ ও সৃজনশীল চিন্তাচেতনার বিকাশ ঘটাতে সহায়ক ভুমিকা পালন করে।




