মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর মতো একজন পরিচ্ছন্ন রাজনৈতক ব্যক্তিত্বের বিরুদ্ধে বানোয়াট অডিও ফোনালাপ ব্যবহার করে সরকার তাদের অবৈধ ক্ষমতাকে দীর্ঘায়িত করার শেষ চেষ্টা করছে। আন্দোলন সংগ্রামে তার সক্রিয় ভূমিকা থাকার কারণে তথ্য প্রযুক্তি আইনে মিথ্যা মামলা দিয়ে তাকে নিষ্ক্রিয় করার চেষ্টা করছে। বেগম খালেদা জিয়াকেও অন্যায়ভাবে সাজা দিয়ে নির্বাচন থেকে দূরে রাখতে কারাগারে বন্দি করে রেখেছে। সরকার আরেকটি প্রহসনের নির্বাচন করার যে প্রকল্প হাতে নিয়েছে এটা সেই ষড়যন্ত্রেরই অংশ। আমীর খসরুর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় ষড়যন্ত্র চট্টগ্রামবাসী রুখে দিবে। মঙ্গলবার বিকালে মহানগর বিএনপির উদ্যোগে নাসিমনভবনস্থ দলীয় কার্যালয় মাঠে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও আমির খসরু মাহমুদ চৌধুৃরীর মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেছেন, ফেনীতে বেগম খালেদা জিয়ার গাড়ি বহরে ছাত্রলীগের হামলার ঘটনাকে ধামাচাপা দিতে ডা. শাহাদাত হোসেনের নামে মিথ্যা অডিও প্রকাশ করেছিল। আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিএনপি কেন্দ্রীয় সদস্য এম শামছুল আলম, নগর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আবু সুফিয়ান, নগর বিএনপির সহ সভাপতি আলহাজ্ব এম এ আজিজ, মোহাম্মদ মিয়া ভোলা, হাজী মো. আলী, জয়নাল আবেদীন জিয়া, সুবক্তিগীন সিদ্দীকি মক্কি, হারুন জামান, সফিকুর রহমান স্বপন, সৈয়দ আহমদ, সাবেক কাউন্সিলন মাহাবুবুল আলম, এডভোকেট মফিজ উল হক ভূঁইয়া, কামাল উদ্দিন কন্ট্রাক্টর, ইকবাল চৌধুরী, এম এ হান্নান।
সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক এস এম সাইফুল আলমের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন যুগ্ম সম্পাদক কাজী বেলাল উদ্দিন মো. শাহ আলম, ইস্কান্দর মির্জা, আর ইউ চৌধুরী শাহীন, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আবদুল মান্নান, জাহাঙ্গীর আলম দুলাল, কাউন্সিলর আবুল হাসেম, মনজুর আলম মনজু, আনোয়ার হোসেন লিপু, সাংগঠনিক সম্পাদক মনজুর আলম চৌধুরী মনজু, কামরুল ইসলাম, হাজী মো. তৈয়ব, সিহাব উদ্দিন মুবিন, শামছুল আলম (ডক), হাজী সালাউদ্দিন, মো. শাহ আলম, আবু জহুর, জহির আহমদ, জাহাঙ্গীর আলম, ইঞ্জিনিয়ার কে. এম সুফিয়ান, শেখ নুরুল্লাহ বাহার, মো. আলী মিঠু, মাহমুদ আলম পান্না, এম আই চৌধুরী, মামুন, হামিদ হোসাইন, হাজী নুরুল আক্তার, ডা: এস এম সরওয়ার আলম, নুরুল আকবর কাজল, দিদারুল আলম চৌধুরী, মোহাম্মদ আলী, অধ্যাপক ঝন্টু বড়ুৃয়া, মশিউল আলম স্বপন, মো. ইসমাইল, শহিদুল ইসলাম শহীদ, জিয়া উদ্দিন খালেদ চৌধুরী, আবদুল বাতেন, মনজুর রহমান চৌধুরী, কাউন্সিলর মো. আজম, মো. সেকান্দর, মো. হানিফ সওদাগর, ডা: নুরল আফসর, আবদুল্লাহ আল হারুন, এ কে এম পেয়ারু, মো. সেলিম, মো. রফিকুল ইসলাম, মো. ইদ্রিস আলী, খোরশেদ আলম কুতুবী, মো. শাহ জাহান, রেহান উদ্দিন প্রধান, ইসমাইল বাবুল, আরিফ মেহেদী, ইউনুছ চৌধুরী হাকিম, আবু মুছা, সফিক আহাম্মদ, নকীব উদ্দিন ভুঁইয়া, আবদুল মতিন, ফয়েজ আহমদ, আবুল খায়ের মেম্বার, মোস্তাফিজুর রহমান বুলু, আবদুল হাই, আলী আজম, সালাউদ্দিন লাতু, জেলি চৌধুরী, এইচ এম রাশেদ খান, বেলায়েত হোসেন বুলু, আলহাজ্ব জাকির হোসেন, আফতাবুর রহমান শাহীন, শরীফ উদ্দিন খান, মো. নুর হোসাইন, হাজী বাদশা মিয়া, আবদুল কাদের জসিম, হাবিবুর রহমান, কাউন্সিলর জেসমিনা খানম, ইউসুফ সিকদার, মো. জাকির হোসেন, মো. ইলিয়াছ, আইয়ুব খাঁন, মনজুর কাদের মনজু, মো. জসিম উদ্দিন, মো. বুলবুল ও ইলয়াছ প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।




