বিশ্বব্যাপী হত্যা, নির্যাতন, ধর্ষণ, লুটতরাজ, চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজির মত নানান অনৈতিক কর্মকান্ডে জনমনে অস্থিরতা চলছে। আর এ সকল অপরাধ গুলো সংগঠিত হচ্ছে কেবল রাসুল (সা.)’র আদর্শকে ভুলে মানবগড়া মতবাদের রাজনীতির জন্য। তাই সমাজ ও রাষ্ট্রে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে রাসুল (সা.)’র আদর্শ অনুসরণ ও বাস্তবায়ন করতে হবে। কেননা রাসুল (সা.)’র আদর্শ বাস্তবায়নের মাধ্যমেই সমাজ ও রাষ্ট্র থেকে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ নির্মূল করা সম্ভব। গাউছিয়া কমিটি বাংলাদেশ মনুপাড়া শাখার উদ্যোগে গতকাল রাতে আয়োজিত ঐতিহাসিক সুন্নী কনফারেন্সে আঞ্জুমানে রজবীয়া নূরীয়া ট্্রাস্ট চেয়ারম্যান ও পীরে ত্বরিকত আল¬ামা আবুল কাশেম নুরী প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
বোয়ালখালীর পশ্চিম গোমদণ্ডী মনুপাড়ায় অনুষ্ঠিত সুন্নী কনফারেন্স উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক আলহাজ্ব শফিউল আলম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বোয়ালখালী পৌর সভার মেয়র হাজী আবুল কালাম (আবু)। গাউছিয়া কমিটি মনুপাড়া শাখার সভাপতি মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহজাহানের সঞ্চলনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির আলোচনা করেন বিশিষ্ট মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ও ঢাকার মগবাজারের শাহ নূরী জামে মসজিদের খতিব মুফতি মাওলানা মুহাম্মদ ওসমান গণি সালেহী, টিভি ব্যক্তিত্ব আল¬ামা হাফেজ মুফতি মুহাম্মদ মাসউদ রিজভী, মাওলানা এহসান উল¬াহ আল কাদেরী ও মাওলানা হাফেজ মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন আল কাদেরী। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন এরএফএল’র চেয়ারম্যান আহসানুল করিম।
সুন্নী কনফারেন্সে বক্তারা বলেন, পবিত্র কোরআন আমাদের জন্য এক নেয়ামত। কোরআনের আদর্শ ও উদ্দেশ্য বুকে ধারণ করতে পারলে সমাজে কোন ধরনের অন্যায়, অবিচার ও সহিংসতা থাকবে না। প্রত্যেক মানুষকে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। দুনিয়ায় ভালো কাজ করলে বেহেস্তে গমন অবধারিত ও মানুষকে কষ্ট দিয়ে কোন ধরনের অপকর্ম করলে দোযখের বিকল্প নেই। কোরআনের শিক্ষা মানুষকে ইহকাল ও পরকালের পথের সন্ধান দিয়ে থাকে। শুদ্ধভাবে কোরআন তেলাওয়াতের জন্য কোরআনের চর্চা ও শিক্ষার কোন বিকল্প নেই। তাই আল¬াহকে পেতে হলে রাসুল¬াহ (সা.) এর আদর্শকে অনুসরণ করে চলতে হবে। বক্তারা ইসলামের ইতিহাসে কোরআনে হাফেজদের অবদান তুলনাহীন বলে অভিমত ব্যক্ত করেন।




