ষ্টাফরিপোর্টার (বিডিসময়২৪ডটকম)
রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘দেশের নির্বাচন কমিশন যথেষ্ট শক্তিশালী। যা হবে সংবিধান অনুযায়ীই হবে। সংবিধান থেকে এক চুলও নড়ব না।’
রবিবার গণভবনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। পদ্মা সেতু নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পদ্মা সেতু নিয়ে কাজ শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, ‘ওই এলাকায় যান। গিয়ে দেখুন।’
নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে কি না, এমন প্রশ্নের উত্তরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আর কতবার আন্দোলন করে নির্বাচন হবে?’ তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশে পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে বলেন, ‘আপনারা কি চান আবার দেশকে অন্ধকারের দিকে নিয়ে যেতে?’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে যেখানে সংসদীয় গণতন্ত্র আছে সেখানে কীভাবে নির্বাচন হয়, তা অনুসরণ করতে হবে। সংবিধান অনুযায়ী যে পদ্ধতিতে নির্বাচন হয়, সেভাবেই নির্বাচন হবে।’ এর আগে বক্তব্য দেয়ার সময় শেখ হাসিনা বলেন, ‘বর্তমান সরকারের আমলে সব নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘পাঁচ হাজার ৭২৩টি নির্বাচন হয়েছে। ৬৩ হাজার ৯৪১ জন জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয়েছেন। কোনো নির্বাচন নিয়ে কোনো রকম কারচুপির কথা কেউ বলতে পারেনি।’
তিনি বলেন, ‘ইউনিয়ন, উপজেলা, পৌর, সিটি করপোরেশন নির্বাচন হয়েছে। আমরা যে গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি, জনগণের ক্ষমতায়নে বিশ্বাস করি, তা প্রমাণ করেছি।’
প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ‘সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিরোধী দল জিতেছে। কিন্তু তারা নির্বাচনে জয়ীদেরকে সঙ্গে নিয়ে বলে, এ সরকারের আমলে অবাধ, নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়। তখন মনে প্রশ্ন জাগে, তাহলে তিনি জিতলেন কীভাবে?’
শেখ হাসিনা অভিযোগ করে বলেন, ‘মিথ্যা কথা বলা ও জনগণকে বিভ্রান্ত করা তাদের মজ্জাগত।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন শক্তিশালী। আমাদের সংবিধান মোতাবেক রাষ্ট্র পরিচালনা হবে ও নির্বাচন হবে। অসাংবিধানিকভাবে কেউ যেন ক্ষমতায় না আসে। কেউ যেন ক্ষমতা দখল করতে না পারে।’
শেখ হাসিনা আরো অভিযোগ করে বলেন, ‘বিরোধী দল আদালতের কোনো নির্দেশ মানে না। উচ্চ আদালত থেকে বলা হয়েছে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার অসাংবিধানিক। কিন্তু তা না মেনে বিরোধী দল বারবার সে দাবির কথাই বলছে। তাঁরা কিছুই মানবে না।’




